,

চট্টগ্রামের ‘গুয়াংজু বাজার’ রেয়াজুদ্দিন

news-image

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী রেয়াজুদ্দিন বাজার এখন শুধু স্থানীয় কেনাকাটার স্থান নয়, বরং দেশের অন্যতম বড় পাইকারি বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। চীন থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের বিপুল সরবরাহের কারণে ব্যবসায়ীদের কাছে এটি পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘চট্টগ্রামের গুয়াংজু বাজার’ নামে।

প্রতিদিন চট্টগ্রামসহ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজারো পাইকারি ও খুচরা ক্রেতা এই বাজারে আসেন। ইলেকট্রনিক্স, মোবাইল অ্যাকসেসরিজ, গৃহস্থালি সামগ্রী, খেলনা, প্রসাধনী, ঘড়ি, পোশাকসহ নানা ধরনের পণ্য এখানে পাওয়া যায়। পণ্যের বৈচিত্র্য, তুলনামূলক কম দাম এবং দরদামের সুযোগ থাকায় ক্রেতাদের কাছে বাজারটির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুক্তাদীরুল ইসলাম আবিদ জানান, রেয়াজুদ্দিন বাজারে একসঙ্গে অনেক ধরনের প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যায়। মোবাইল কেনার পাশাপাশি তিনি এখান থেকে মেসের জন্য ইলেকট্রিক কেটলি, রান্নাঘরের সামগ্রী ও অন্যান্য জিনিস কিনেছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের সুবিধা এবং চীনের উৎপাদনকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে আমদানি যোগাযোগের কারণে এ বাজারে চীনা পণ্যের সরবরাহ বেশি। চীনের গুয়াংজু, ইইউ ও শেনজেনসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পণ্য স্থানীয় আমদানিকারকদের মাধ্যমে এখানে পৌঁছে।

রেয়াজুদ্দিন বাজারে সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয় প্রযুক্তিপণ্য। মোবাইল ফোনের চার্জার, হেডফোন, পাওয়ার ব্যাংক, স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ স্পিকার, এলইডি লাইটসহ নানা ইলেকট্রনিক পণ্যের বড় বাজার গড়ে উঠেছে এখানে।

এ ছাড়া চায়না ক্রোকারিজ, কাচ ও সিরামিক সামগ্রী, রান্নাঘরের সরঞ্জাম, প্লাস্টিক পণ্য, খেলনা, হোম ডেকোরেশন সামগ্রী, পোশাক, ব্যাগ, প্রসাধনী ও ফ্যাশন পণ্যেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

রেয়াজুদ্দিন বাজার বণিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, বাজার এলাকায় ১১০টির বেশি মার্কেট ও বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫ হাজার দোকান পরিচালিত হচ্ছে। ব্যবসায়ী রয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার এবং কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় আট হাজার।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, স্বাভাবিক সময়ে এ বাজারে প্রতিদিন কয়েকশ কোটি টাকার লেনদেন হয়। ঈদ ও অন্যান্য উৎসবের সময়ে বেচাকেনা আরও বেড়ে যায়।

তামাকুন্ডি লাইন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বলেন, রেয়াজুদ্দিন বাজার এখন শুধু চট্টগ্রামের নয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি বাণিজ্যকেন্দ্র। চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় আমদানি করা পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছে যায়, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুবিধা।

তিনি বলেন, পণ্যের বৈচিত্র্য ও সহজলভ্যতার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা এই বাজারের ওপর নির্ভরশীল। চীনা পণ্যের বড় সরবরাহকেন্দ্র হিসেবে রেয়াজুদ্দিন বাজারের গুরুত্ব ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশে সিরিজ খেলতে আসছে না ভারত

শপথ নিলেন পিএসসির নতুন ৪ সদস্য

সাকিব বাদ, বড় সুখবর পেলেন মোস্তাফিজ

মহিষ চরাতেও দিতে হয় চাঁদা

দেশে অনেক বড় আকারে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে: অর্থমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত : জয়সওয়াল

প্রথমবার সঞ্চালকের ভূমিকায় মাধুরী দীক্ষিত

যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন: জুলাই অভ্যুত্থান দমনে ব্যবহৃত হয় ৩ লাখের বেশি গুলি

২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২৪

সাভারে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, ৫টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার

জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী