,

গাফিলতির ঘাটতি পূরণে সাধারণভাবে মামলা রিমান্ড নয়: হাইকোর্ট

news-image

অনলাইন ডেস্ক :কোনো পক্ষের নিজস্ব অবহেলা বা গাফিলতির কারণে সৃষ্ট ঘাটতি পূরণে সাধারণভাবে মামলা পুনরায় বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে পাঠানো উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। তবে কোনো পক্ষের ইচ্ছাকৃত ভুলের কারণে নয়, বরং আইনজীবীর অনুপস্থিতির মতো পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে তাকে মামলা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।
সম্প্রতি ‘মোহাম্মদ আলী ও অন্যান্য বনাম আবদুল জব্বার ও অন্যান্য’ মামলার রায়ে এসব পর্যবেক্ষণ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ২৫ আগস্ট রায়টি দেন।
মামলাটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৪ দশমিক ৬৪ একর জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে। বাদীরা ওই জমির ৫ দশমিক ৮৬ একর নিজেদের দাবি করে স্বত্ব ঘোষণার মামলা করেন। অন্যদিকে কয়েকজন বিবাদী ১৯৬৪ সাল থেকে বিভিন্ন নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে জমির বড় একটি অংশ কেনার দাবি করেন।
মামলায় কয়েকজন বিবাদী বাদীদের দাবিতে সম্মতি দিলেও অন্যরা নিজেদের স্বত্বের দাবি বজায় রাখেন। তাদের লিখিত জবাব নির্ধারিত সময়ের পর দাখিল করা হয়। পরে লিখিত জবাব গ্রহণের আবেদনের শুনানির দিন তারা বা তাদের আইনজীবী উপস্থিত হয়ে আবেদনটি উপস্থাপন না করায় আদালত তা গ্রহণ করেননি।
এরপর বাদী ও কয়েকজন বিবাদীর মধ্যে আপসের ভিত্তিতে পুরো মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়। তবে হাইকোর্ট বলেন, কোনো পক্ষ আপসনামায় সম্মতি না দিলে সেই আপসের মাধ্যমে তার স্বতন্ত্র স্বত্ব ও অধিকার খর্ব করা যায় না।
আদালত আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট আপিলকারীরা মামলায় পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ছিলেন না। তারা আদালতে হাজির হয়েছিলেন, লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য সময় নিয়েছিলেন এবং তা গ্রহণের আবেদনও করেছিলেন। আইনজীবী শুনানির দিন আবেদনটি উপস্থাপন না করায় তাদের লিখিত জবাব গ্রহণ করা হয়নি।
হাইকোর্টের মতে, জমির স্বত্ব ঘোষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলায় এ বিষয়টি উপেক্ষা করা হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে আগের একটি পার্টিশন মামলায় তাদের পক্ষে ৬ দশমিক ২১৫০ একর জমির ডিক্রি থাকায় বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন ছিল।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে হাইকোর্ট আপিল মঞ্জুর করে ২০১৫ সালে নিম্ন আদালতের দেওয়া রায় ও ডিক্রি বাতিল করেন। একই সঙ্গে মামলাটি নতুন করে নিষ্পত্তির জন্য ট্রায়াল কোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত ১১ থেকে ২২ নম্বর বিবাদীর লিখিত জবাব ১০ হাজার টাকা খরচ পরিশোধের শর্তে রেকর্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি পরবর্তীতে আপিলে যুক্ত হওয়া ৯ থেকে ১৮ নম্বর আপিলকারীদের মূল মামলায় বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে লিখিত জবাব দেওয়ার সুযোগ দিতে বলা হয়েছে।
নতুন বিচারপ্রক্রিয়ায় সব পক্ষকে প্রমাণ উপস্থাপনের যুক্তিসংগত সুযোগ এবং আগের পার্টিশন মামলার ২০০৭ সালের ডিক্রিসহ পরবর্তী আদেশগুলো বিবেচনার নির্দেশও দিয়েছেন হাইকোর্ট। সম্ভব হলে রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

নরম হয়ে যাওয়া ভাত ঝরঝরে করার সহজ উপায়

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

রাড্ডা ক্লিনিক চালুতে ৫০ লাখ টাকা অনুদান জামায়াতের

মধ্যরাতে ছাপাখানা পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, দেখলেন পাঠ্যবইয়ের মান

ওয়েজ বোর্ড ও সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার

কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে নতুন কৌশল খুঁজছে পুলিশ

চীন-আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

দখল-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

সুশান্তের পোস্টমর্টেম নিয়ে ৬ বছর পর বোনের নতুন দাবি

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্ক ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

বিয়ের বিষয়ে কেয়া পায়েল: হুট করেই হতে পারে

সোনার দাম কমেছে, আজ ভরিতে বিক্রি হচ্ছে যত টাকায়