সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২ শিশু ধর্ষণের পৃথক মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

news-image

আদালত প্রতিবেদক : ‎রাজধানী যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকায় ১২ বছরের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় আসামি মো. বাচ্চু (২৫) ও মো. আব্দুল গাফফারের (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। অন্যদিকে, রামপুরা থানাধীন এলাকায় ৫ বছরের শিশু ধর্ষণের আরেক মামলায় আসামি মো. বাচ্চু মিয়া হওলাদারের (২৪) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

‎সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার তিন নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম কবির এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের প্রত্যেকের এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. বাচ্চুকে কারাগার থেকে আদালত হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি মো. আব্দুল গাফফার পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

‎অপর মামলার আসামি মো. বাচ্চু মিয়া হওলাদারের উপস্থিততে রায় ঘোষণা হয়। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়।

‎বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার অভিযোগে বলা হয়, মামলার ২ নম্বর আসামি আব্দুল গাফফার বাদীর বর্তমান ঠিকানার বাড়িওয়ালার ম্যানেজার। আসামি বাচ্চু ও আব্দুল গাফফার পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা প্রায় সময় ভুক্তভোগী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে উত্যক্তসহ কু-প্রস্তাব দিত। ভুক্তভোগী বাদীকে তাদের কু-প্রস্তাবের কথা জানাইলে আসামিদের বিরক্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন।

২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা দুজনেই তাদের কর্মস্থলে চলে যায়। ওইদিন বিকেল ৩টায় আসামিরা ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন।

পরে ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু বললে ভুক্তভোগীকে জীবনে শেষ করে দেবেন বলে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দেখান। ওই ঘটনায় ভিকটিমকের মা বাদী হয়ে যাত্রীবাড়ী থানায় মামলাটি ধর্ষণের অভিযোগ মামলাটি দায়ের করেন।

‎মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্ত, উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক তাসলিমা আক্তার আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১৮ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মামলাটির বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যেনয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

‎৫ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল রামপুরার এক বাসার নিচে গ্যারেজে রান্না করতেন ভুক্তভোগীর মা। ওইসময়ে আসামি বাচ্চু মিয়াকে ভুক্তভোগী ৫ বছরের শিশু একটা ঠান্ডা এনে দেওয়া কথা বলে। এসময় ভুক্তভোগী আসামির কাছে গেলে তাকে তার বাসার রুমে নিয়ে যায়। এরপর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী ফিরতে দেরি হলে মামলার বাদী আসামির রুমে ঢুকে দেখে তার শরীরের কাপড় খোলা।

এসময় বাদী ভুক্তভোগীকে জিজ্ঞেসা করলে, ভুক্তভোগী বলে বাচ্চু মিয়া আমার সাথে ‘খারাপ কাজ’ করেছেন। পরে আশপাশের লোকজনদের ডাকলে আসামি পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে রামপুরা থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

‎মামলাটি তদন্ত করে রামপুরা থানার উপপরিদর্শক মকুল মিয়া ২০২১ সালের ৩১ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১৬ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচারকালে ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

 

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা