,

এখনো সতর্ক থাকতে হবে

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বে ৮ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনে অন্তত ৩৫ লাখ মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত রবিবার একদিনেই বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখের বেশি ছিল। করোনার নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে কোরিয়া উপদ্বীপ। দুই কোরিয়াতেই আক্রান্তের হার বাড়ছে। তবে উত্তর কোরিয়ায় যেহেতু টিকা কার্যক্রম তেমন হয়নি, সেহেতু এখানে মৃত্যুর হার বেশি। চলতি বছর থেকে প্রায় দেড় মাস করোনা সংক্রমণ ছিল নিম্নমুখী। মার্চ থেকে তা ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। নতুন করে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির এ প্রবণতাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছে। এর মধ্যে আশার কথা হলো বিশ্বে এ যাবৎ ১ হাজার ১৭০ কোটি টিকা প্রদান করা হয়েছে। তাই এবার কোনো কোনো দেশে আক্রান্তের হার হু হু করে বাড়লেও মৃত্যুহার উদ্বেগজনক নয়। অবশ্য পাশাপাশি এই হিসাবও মাথায় রাখতে হবে যে, বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোয় টিকাকরণের হার মাত্র ১৬ শতাংশ। আর এ রোগ যেহেতু অত্যন্ত ছোঁয়াচে, সেহেতু এখনই বিশ্বকে করোনা থেকে নিরাপদ বলা যাবে না। তবু এই অণুজীব ঘন ঘন তার রূপ পাল্টানোর ফলে রোগ উপসর্গেরও পরিবর্তন ঘটছে।

ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এবার করোনার নতুন ধরনের সংক্রমণে অন্তত তিনটি নতুন উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। এগুলো হলো ত্বকের ক্ষত সৃষ্টি- যার সঙ্গে ত্বক লাল হওয়া, ফুসকুড়ি ওঠা, ত্বক ফুলে যাওয়া ইত্যাদিও থাকতে পারে। দ্বিতীয় নতুন উপসর্গ চুল পড়া এবং তৃতীয় উপসর্গ হতে পারে শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া। তবে এসব উপসর্গের সঙ্গে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা ইত্যাদি থাকলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা শুরু করা দরকার। কয়েক দফায় কোভিডের যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছিল, এতে দেখা যাচ্ছে- ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এ রোগে সহজেই এবং বারবার কাবু হচ্ছে। ঠা-া, ঘন জনবসতি এবং মানুষের বেপরোয়া মনোভাব ও অসচেতনতার কারণেও রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অনেক বিশেষজ্ঞের ধারণা। মোট কথা, এটা পরিষ্কার- করোনা এখনো সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। ফলে আমাদের দেশে গত কয়েক মাস সংক্রমণ ১ শতাংশেরও নিচে থাকা এবং মৃত্যুহার শূন্য থাকায় সন্তুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। বর্তমানে এ রোগ অতিমারী বা মহামারী আকারে বিপর্যয় ঘটাতে না পারলেও এর সংক্রমণ হয়তো বারবার ঘটতে থাকবে। এটিকে ফ্লু বা সর্দি-জ্বরের পর্যায়ে নামিয়ে এনেই নিস্তার মিলবে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন। কথা হলো, আপাতত এ রোগ নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রয়োজনে আগের মতোই সব শক্তি নিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না