,

১৫টি বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ : সরিষাবাড়ীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

news-image

মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) থেকে : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সর্বকালের রেকর্ড ভেঙ্গে বিপদ সীমার উপরে বইছে যমুনার পানির স্তর। ২০১৭ সালে ১৩৪ সেন্টিমিটার পানির রেকর্ড ভেঙে বর্তমানে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট এলাকার পানি বিপদসীমার ১৪৫ সেন্টিমিটারে ওপরে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক আব্দুল মান্নার এ তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করেছেন। এ উপজেলায় প্রায় ৬৯০ হেক্টর জমির ফসল বন্যায় আক্রান্তহয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে, রাস্তা ,ব্রীজ, কালভাট পানির নিচে ডুবে গেছে। এছাড়া সরিষাবাড়ী-কাজিপুর প্রধান সড়কে ব্রাক্ষনজানী এলাকার ব্রীজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সরিষাবাড়ীতে বন্যায় অর্ধ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত। ১৫টি বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ীর উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনা নদীর পানি বেড়ে ভয়াবহ বন্যায় রূপ নিয়েছে । যার কারনে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে পানি উঠায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উপজেলা ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়েছে বলে জানা গেছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা, পিংনা, আওনা, ভাটারা ও কামরাবাদ ইউনিয়নে ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও জনবসতি এলাকা প্ল­াবিত হচ্ছে। উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের মালিপাড়া, গোবিন্দপটল, উত্তর মালিপাড়া, টাকুরিয়া, বিন্নাফৈর, মানিকপটল, দামোদরপুর, এছাড়া পিংনা ইউনিয়নের দক্ষিণ নলসোন্ধা, বালিয়া মেন্দা, ডাকাতিয়া মেন্দা ও পশ্চিম মীর কুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ও অফিস কক্ষে পানি ঢুকে পড়ায় পাঠদান পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয়, চর সরিষাবাড়ী বালিকা দাখিল মাদরাসা, চর জামিরা দাখিল মাদরাসা ও মালিপাড়া দাখিল মাদরাসা বন্ধ রাখা হয়েছে।

পিংনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার মোতাহার হোসেন জয় জানান, তাঁর ইউনিয়নে যমুনা নদীর ভাঙনে কয়েকদিন ৫০টি বাড়িঘর বিলীন হয়ে গেছে। চরাঞ্চলের মানুষ নিরাপদ পানি, পর্যাপ্ত খাবার ও গো-খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে।

পোগলদিঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামস উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে যমুনার প্রবল স্রোতে ব্রাহ্মনজানী ব্রিজ ভেঙে গেছে। এতে সরিষাবাড়ীর সাথে কাজীপুর উপজেলার অন্তত ৪০টি গ্রামের মানুষের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলো নতুন করে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় ভুগছে এলাকাবাসী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন আহমদ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, বন্যা কবলিত মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ১০ মে. টন চাল ও ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে এবং ২৮৪ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ আছে। এছাড়া দুই লাখ টাকা, ৫০ মে. টন জিআর চাল, দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও এক হাজার পিস শাড়ি-লুঙ্গি বরাদ্দের চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা