,

প্রধান অতিথি খালেদা জিয়া!

news-image

বিএনপির উদ্যোগে সোহরাওয়ার্দীনে জনসভা চলছে। প্রতিবাদ হিসেবে জনসভায় প্রধান অথিতি হিসেবে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। আর সম্মান হিসেবে বেগম জিয়ার চেয়ারও ফাঁকা রাখা হয়েছে বলে জনসভার মঞ্চ থেকে জানানো হয়। রোববার দুপুর ২ টায় বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ জনসভা শুরু হয়।

‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে অবাধ এবং সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবি’ উপলক্ষে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দেখা গেছে, জনসভায় যোগ দিতে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিএনপির নেতাকর্মীরা এসেছেন। সকাল ১০টা থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শিল্পকলা, শাহবাগ মোড় ও রমনা পার্কসহ বিভিন্ন পয়ন্টে অবস্থা নেন তারা। এসময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই ও সরকার বিরোধী বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তুলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্ব জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্যে উপস্থিত আছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

এর আগে দুপুর ১২টায় জাসাস কর্মীদের সম্মিলিত গণসঙ্গীত পরিবেশন করে। জনসভাকে ঘিরে সকাল ১০ টা থেকে ঢাকামহানগরী এবং আশপাশের জেলার নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হয়েছেন।

এদিকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভিতরে ও বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া মৎস্য ভবনের সামনে জলকামান ও এপিএস রাখা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০৩ ছাড়াল, এক দিনে হাসপাতালে ২১৯৩

গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করতে আইনি নোটিশ

দিল্লিতে অপ্রয়োজনীয় ব্যারিকেড সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

আইপিইউ তদন্তে আ. লীগের অভিযোগের সত্যতা মেলেনি: স্পিকার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় জয়ের লক্ষ্য বিএনপির

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১২, বাংলাদেশি দুজন

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর শুরু ২৬ অক্টোবর

আইএমএফের নতুন ঋণেও পুরোনো শর্তের চাপ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় জয়ের লক্ষ্য বিএনপির

গর্ডনের গোলে শুরু, গেতাফেকে ৩-০ ব্যবধানে হারাল বার্সেলোনা

সৌদি আরবের পাশে থাকার অঙ্গীকার পাকিস্তানের

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় একই পরিবারের আটজন নিহত