,

এই দ্বীপে নিষিদ্ধ নারীরা, প্রবেশাধিকার শুধু পুরুষের

news-image

জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো একটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাপানের প্রাচীন ধর্মীয় স্থান ওকিনোশিমা দ্বীপকে। কিন্তু সেখানে নারীদের যাওয়া নিষিদ্ধ। যা বিশ্বজুড়ে বিতর্কিত একটি বিষয়। কিন্তু কেন সেখানে নারীদের যেতে দেয়া হয় না তা জানতে হলে জানতে হবে পেছনের ইতিহাস।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ওকিনোশিমা দ্বীপেই রয়েছে ওকিতসু উপাসনালয়। সমুদ্রে নাবিকদের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করার জন্য সপ্তদশ শতকে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

তবে ওই দ্বীপে পা রাখার আগে পুরুষদের জামাকাপড় খুলে রাখতে হয়, বিশেষ পদ্ধতিতে নিজেদের শুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করে নিতে হয়। দ্বীপ ছেড়ে যাওয়ার সময় সেখান থেকে তাদের কোনো স্মারক নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয় না।

এমন কী ওই দ্বীপে যাওয়ার পর কী ঘটেছে, সেটাও তারা অন্য কাউকে বলতে পারেন না।

এই দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ।

তবে সংবাদমাধ্যমজাপান টাইমস বলছে, উপাসনালয়টি নির্মাণের অনেক আগে থেকেই সমুদ্রগামী জাহাজের নিরাপত্তার জন্য এবং কোরিয়া ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য সেখানে প্রার্থনা করার চল ছিল। বিদেশ থেকে আনা হাজার হাজার শিল্পসামগ্রী ওই দ্বীপ থেকে পাওয়া গেছে। কোরিয়া উপদ্বীপ থেকে আনা বহু সোনার আংটিও তার মধ্যে ছিল।

নারীদের প্রবেশ নিষেধ এই দ্বীপে।

প্রতি বছর মাত্র একটি দিন ২৭ মে, ওই দ্বীপে দর্শনার্থীরা আসতে পারেন। তবে দর্শনার্থীদের সব প্রাচীন রীতিনীতি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে হয়।

দর্শনার্থীর মোট সংখ্যাও কিছুতেই ২০০ ছাড়াতে পারবে না। তবে সবচেয়ে বিতর্কিত যে বিষয়টি, তা হলো তাদের সবাইকে পুরুষই হতে হবে! সূত্র: বিবিসি বাংলা

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে