,

ডিএনএ টেস্টের জন্য সিলেট নেওয়া হচ্ছে মুসার মা, ভাই ও বোনকে

news-image

রাজশাহী প্রতিনিধি : নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা মাঈনুল ইসলাম ওরফে মুসার মা, ভাই ও বোনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সিলেটের আতিয়া মহলে নিহত চার জঙ্গির মধ্যে নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা মাঈনুল ইসলাম ওরফে মুসা রয়েছেন বলে ধারণা করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটসহ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আর তাই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বিষয়টি সরাসরি স্বীকার করতে চান নি রাজশাহী জেলা পুলিশে ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা। কিন্তু সূত্রগুলো বলছে, যে কোনো সময় তাদের ঢাকা হয়ে সিলেট নেওয়া হবে। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জঙ্গি মুসার ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে।

এই উদ্দেশে বুধবার রাতে মুসার মা সুফিয়া বেগম, ভাই আবদুল খালেক ওরফে খায়রুল ও কামরুন নাহার বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যদের নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজশাহী পুলিশ সুপার (এসপি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি সরাসরি স্বীকার করেন নি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সিলেটে নিহত ব্যক্তি জঙ্গি মুসা কিনা সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার পরিবারের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, রাজশাহীর বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাগমারা উপজেলার গণিপুর ইউনিয়েনের বজ্রকোলা গ্রাম থেকে সন্ধ্যার পর মুসার মা, ভাই ও বোনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তিনিও শুনেছেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন ইউনিট নিয়ে গেছে, কোথায় নিয়ে গেছে তা জানা নেই। সকাল হলে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলে বিস্তারিত বলবেন বলে জানান বাগমারা থানার ওসি।

এ জাতীয় আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল মাঠে ট্রাক, নিহত ২

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-ইতালি আলোচনা

সাভার সেনানিবাসে ৭ ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সংকট-দুর্যোগে প্রবাসে থেকেও জনগণের পাশে ছিলেন তারেক রহমান: রিজভী

কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, হতাহতের ঘটনা

ভারতে মন্দিরে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় নিহত ১৫

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হচ্ছে ক্যানসার শনাক্তকরণ

সমতা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বিশ্বে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় সরকার

নেত্রকোণায় মুখোশধারীদের গুলিতে যুবক আহত

বাগেরহাটে ভাড়া বাসা থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়াই চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট