,

ব্রাহ্মণনবাড়িয়ার তালশহর উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে দেয়ার নির্দেশ

images (13)ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ বহুল আলোচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর এ এ আই উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু সামা’র নেতৃত্বাধীন বর্তমান ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে সাথে এডহক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব নুরজাহান বেগমের স্বাক্ষরিত এ আদেশে বলা হয়েছে, ম্যানেজিং কমিটির বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত মাধ্যমে প্রমানিত হয়েছে। তদন্ত ও নিরীক্ষায় স্কুলের বর্তমান কমিটি এবং সভাপতির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রমান পেয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শাখা-৫ থেকে ৩১ জানুয়ারি এক আদেশে আরও বলা হয়, সভাপতির বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনসহ বর্তমান ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে জরুরি ভিত্তিতে এডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করা হল। ১ ফেব্র“য়ারী কুমিল¬া শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মোতাবেক তালশহর এ এ আই উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বাতিল করা হলো। বিদ্যালয় পরিচালনার স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে একটি এডহক কমিটি গঠনের পরামর্শ দেওয়া হলো। সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা যায়, কমিটির সভাপতি আবু সামা অবৈধ ভাবে নিজের দুই ছেলেকে আজীবন দাতা সদস্য বানানো ছাড়াও অবৈধ ভাবে নিজের ছেলেকে জলাশয় ইজারা দেয়া, পুকুর নিলামের টাকা আত্মসাৎ, অর্থ বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগসহ নানা কাজ করেছে। জানা যায়, স্কুলের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আবু সামার বিরুদ্ধে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে স্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক বিদ্যুৎসাহী সদস্য তফছিরুল ইসলাম গত বছরের ২ জুলাই অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিষয়ে এক অভিযোগ দায়ের করেন। তার বিরুদ্ধে স্কুল কমিটির পদ দখলসহ নানা অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে। এ বিষয়ে সহকারি শিক্ষা পরিদর্শক এএসএম মনজুরুল হক ও অডিট অফিসার মো.ফরিদ উদ্দিন গত ২১ অক্টোবর সরেজমিনে তালশহর এ এ আই উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এরপর সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দেয়। এর প্রেক্ষিতেই কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় ভাবে অভিযোগ আছে, ১৯৮২ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে তালশহর ইউপি চেয়ারম্যান নিবাচিত হয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন আবু সামা। পরবর্তীতে গম চুরির দায়ে বেশ কয়েকরার জেলে ছিলেন। মামলা থেকে রেহাই পেতে ১৯৯৪ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯৮ সালে দল বদল করে আওয়ামীলীগে যোগ দেয়। গত কয়েক বছরে তার অত্যাচারে তালশহর ও পাশ্ববর্তী এলাকায় খুন, হত্যা, জমি দখল, সংখ্যালঘু নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, চাঁদা, দাঙ্গাবাজির কারণে বহু পরিবার গ্রাম ছাড়া হয়ে অন্যত্র বসবাস করছে। তিনি সরকার দলীয় পরিচয়ে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আবু সামা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, (মোবাইল-০১৭১৩৫৪৬৫৯৩) এটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিএনপি সমর্থিত একটি চক্র আমি বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দিয়েছে। আমি যেন ইউপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে না পারি।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ