,

আবারও বিতর্ক ও সমালোচনায় ওলামা লীগ

news-image

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মাথায় টুপি মুখে দাঁড়ি ও লম্বা পাঞ্জাবি পরে মারামারি করে আবারো সমালোচনায় এসেছে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ওলামা লীগ। যদিও দলের পক্ষ থেকে এধরনের কোন সংগঠন নেই বলে দাবি করা হয়। কিন্তু তাদের বাতিল বা বিরুদ্ধে দলীয় কোন বিবৃতি কখনো দিতে দেখা যায় নি।
বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল এবং সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরীকে নাস্তিক আখ্যা দেয়া, হুমায়ুন আজাদ, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সেলিনা হোসেন, সনজীদা খাতুন, কবীর চৌধুরীর মতো সাহ্যিতিক লেখকদের নামের আগে কুখ্যাত শব্দ যোগ করে সমালোচনা কুড়িয়েছে আওয়ামী লীগের এই সহযোগী সংগঠন। এছাড়া ব্লগারদের নাস্তিক দাবি করে তাদের বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইট বন্ধের দাবি করে কাপিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের।
আবার এই সংগঠনের নেতারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। দলটি নেতাদের দাবি ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর মুসলমানদের দেশে চাকরির নিয়োগ আনুপাতিকহারে করতে হবে। কিন্তু প্রশাসনে হিন্দুতোষণ হচ্ছে। তা বন্ধ করতে হবে। তারা দাবি করেন, ‘গত ২০১৩ সালের অক্টোবরে পুলিশের এসআই পদে নিয়োগে ১৫২০ জনের মধ্যে হিন্দু নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৩৩৪ জন যা মোটের ২১.৯৭ শতাংশ। গত ২০১১ সালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইতে নিয়োগের ৯৩ জনের মধ্যে হিন্দু নিয়োগ করা হয়েছে ২৩ জন যা মোটের ২৪.৭৩ শতাংশ। সম্প্রতি ষষ্ঠ ব্যাচে সহকারী জজ পদে নিয়োগ দেয়া ১২৪ জনের মধ্যে ২২ জনই হিন্দু যা শতকরা হিসেবে ১৭ শতাংশ।
আবার সরকারের সুনজর পেতে তোষামদীদেও পিছিয়ে নেই তারা।  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগে শহীদ ও পরে রহমতুল্লাহি আলাইহি যোগ করার দাবি করে ওলামা লীগ।
অথচ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ধারক-বাহক বলে নিজেদের সব সময়ই দাবি করে। কারন তাদের প্রধান ভিত্তি যে হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের মূল বিষয়টি ছিল, ধর্মভিত্তিক একটি রাষ্ট্র কাঠামো থেকে বেরিয়ে গিয়ে সব ধর্মের, বিশ্বাসের মানুষদের নিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। অথচ স্বাধীনতার ৪০ বছর পর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকেই সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দেয়া হচ্ছে।
গবেষক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর বলেন, আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে সাম্প্রাদায়িক কাজ করে যাচ্ছে কিছু জামায়াতী লোকজন। সরকারের উচিত হবে নিজেদের স্বচ্ছতার জন্য এবিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে ওলামা লীগের আক্তার হোসেন ও আবুল হাসান শেখের নেতৃত্বাধীন পক্ষ , ইলিয়াছ হোসাইন বিন হেলালী ও দেলোয়ার হোসেন পক্ষের মাঝে মারামারি হয়। এতে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়। পরে একটি পক্ষের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলাও করেছে অপর পক্ষ।

 

আমাদের সময়.কম

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা