শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রবির আলোয় উদ্ভাসিত ২৫ বৈশাখ

robindranath-2ডেস্ক রির্পোট : রাত্রি হলো ভোর।/ আজি মোর/ জন্মের স্মরণপূর্ণ বাণী/ প্রভাতের রৌদ্রে-লেখা লিপিখানি/ হাতে করে আনি/ দ্বারে আসি দিল ডাক/…উদয় দিগন্তে ওই শুভ্র শঙ্খ বাজে।/ মোর চিত্ত-মাঝে/ চির নূতনেরে দিল ডাক/ পঁচিশে বৈশাখ।আবারও ডাক এসেছে চির নূতনের। আজ রবির আলোয় উদ্ভাসিত ২৫ বৈশাখ। আজ ৮মে বৃহস্পতিবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৩তম জন্মজয়ন্তী।

১২৬৮ বঙ্গাব্দের এ দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সঙ্গীতের এই কিংবদন্তি পুরুষ।রবীন্দ্রনাথের লেখা, দর্শন, চিন্তাচেতনা, তথা বহুমাত্রিক আলোকছটার ঔজ্জ্বল্যে ও মহিমায় বাঙালীর জাতিসত্তা হয়েছে মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে তাঁর সাহিত্য। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। তাঁর এ প্রাপ্তি বাংলা সাহিত্যকে বিরল গৌরব এনে দেয়। বাঙালীর চেতনার রং স্পষ্ট হয়েছিল রবির আলোয়। বাঙালীর প্রতিটি আবেগ আর সূক্ষ্ম অনুভূতিকে স্পর্শ করে আছেন তিনি।দেড়শত বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও বাঙালি মানসে এখনো তিনি দিবাকরের মতো সমান সমুজ্জ্বল, তার কিরণ এতোটুকু ম্লান হয়নি।প্রতি বছরই এ দিনটি আসে, চলেও যায়; কিন্তু আমাদের নতুন করে দিয়ে যায় আত্মপরিচয়ের তাগিদ। আত্মশক্তির উদ্বোধনের আহ্বান, মানুষ আর প্রকৃতিকে ভালোবাসার বারতা। এদিনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের শুভদিন, জাতি হিসেবে আমাদের শুভ সংকল্পগুলো নবায়নেরও দিন।

রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম পর্যন্ত বিরাট প্রেরণা হয়ে ছিল। বিশ্বে খুব কম কবিই এরকমভাবে কোনো দেশের জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামকে প্রভাবিত করতে পেরেছেন।কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সীমানা ছাড়িয়ে বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দিয়েছেন সর্বত্র। বাঙালি জাতির অহংকার তিনি।

বহুমাত্রিক পরিচয় তার। তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার,  প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও একজন দার্শনিক। শুধু তা-ই নয়, তিনি মানবতাবাদের এক অবিস্মরণীয় ধারক। বাংলাদেশের মানুষের কাছে রবীন্দ্রনাথ ইতিহাসে তাদের আত্মপ্রকাশের সহযাত্রী।
 কবিগুরুর সার্ধশততম জন্মবার্ষিকীর বছরব্যাপী মহাযজ্ঞের সমাপ্তি আর এ উপলক্ষে আজ নগরের অনেক মিলনায়তনে বাজবে তার গান। সেখান থেকে নৃত্যের তালে আর নূপুরের নিক্কনে ছড়িয়ে পড়বে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুর। নাচে, গানে আলোচনায় বাঙালি জাতি আজ স্মরণ করবে রবীন্দ্রনাথের জন্মবার্ষিকী।

আমাদের রবীন্দ্রনাথ

বাঙালির চিন্তায়, চেতনায়, মননে— এক কথায় সমগ্র সত্তাজুড়েই রবীন্দ্রনাথ প্রবলভাবে বিরাজমান।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে এবং বাংলা ১২৬৮ সালের ২৫ বৈশাখ তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাদের পরিবারটি ছিল একাধারে ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান। তাদের বংশগতভাবে তারা ছিলেন আসলে  পিরালী ব্রাহ্মণ । পরে তাদের নামের সঙ্গে “ঠাকুর“ কথাটি যুক্ত হয়। কবিগুরুর ছদ্মনাম ভানুসিংহ ঠাকুর। কৈশোরকালে তিনি এই ছদ্মনামে লিখতেন। তখনকার লেখা কবিতা “ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি“ নামে ছাপা হয়।

বাল্যকালে স্কুলের প্রথাগত শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি। গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই বিভিন্ন বিষয়ে তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এমনকি শরীরচর্চা ও মল্লক্রীড়াও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’তে তার ‘অভিলাষ’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা।১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তার শশুরবাড়ি খুলনার দক্ষিণডিহিতে। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন।

 ১৯০২ সালে তার স্ত্রী মৃণালিনী মারা যান। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন কবি। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করে। কিন্তু ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের  জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সেই উপাধি প্রত্যাখ্যান করেন কবি।১৯০১ সালের ডিসেম্বর মাসে মাত্র পাঁচজন ছাত্র নিয়ে তিনি বোলপুরে প্রতিষ্ঠা করেন তার স্বপ্নের শিক্ষাঙ্গন ‘শান্তি নিকেতন’।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বভারতী।  দীর্ঘ জীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন।

তার সম্পাদনায় ভারতী, সাধনা, বঙ্গদর্শন প্রভৃতি পত্রিকা বের হয়। ‘ছবি ও গান’, ‘কড়ি ও কোমল’, ‘মানসী’, ‘রাজা ও রাণী’, ‘সোনার তরী’ ‘বলাকা’, ‘গীতবিতান’, ‘নৈবেদ্য’, ‘গীতাঞ্জলি’ তার কাব্য। ‘শেষের কবিতা’, ‘গোরা’, ‘চার অধ্যায়’, ‘চতুরঙ্গ’ তার রচিত উপন্যাস। ‘ছিন্নপত্র’ তার অবিস্মরণীয় পত্রসাহিত্য।

বাহান্ন বছর বয়সে ১৯১৩ সালে তিনি তার গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য বিশ্বসাহিত্যের সবচে সম্মানজনক পদক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।নওগাঁর পতিসরে নিজের জমিদারির গরিব প্রজাদের নামমাত্র সুদে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে তিনিই প্রথম গ্রামীণব্যাংকের প্রতিষ্ঠা করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ও পাবনার শাহজাদপুরে তার জমিদারিতে প্রজাদের কল্যাণের স্বার্থে আরও অনেক জনহিতকর কাজ করেছেন রবীন্দ্রনাথ।বহুবার প্রজাদের খাজনা মওকুফ করে নিজে ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। নিজের অর্থে প্রজাদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছেন।

৮০ বছর বয়সে ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ কলকাতার, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন।রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য- ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা, চিত্ররূপময়তা, আধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতাও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বাণী দিয়েছেন।রাষ্ট্রপতির বাণী: রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, রবীন্দ্রনাথের বিশালতা এবং তাঁর সৃষ্টির অপূর্ব মাধুর্ষকে অন্তরাত্মা দিয়ে উপলব্ধি করতে হলে রবীন্দ্র চর্চার বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জগত-সংসারকে জানতে নতুন প্রজন্ম রবীন্দ্র সাহিত্যে অবগাহন করবে, রবীন্দ্র চর্চায় ব্যাপৃত থাকবে। রবীন্দ্র চেতনার আলোকে ন্যায়ভিত্তিক-শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে এগিযে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন শান্তির কবি, মানবতার কবি ও প্রকৃতির চিরন্তন সৌন্দর্যের কবি। তিনি ছিলেন বৈচিত্র্যের সাধক। বিশ্বব্যাপী দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও বৈষম্যের বিলোপ সাধন এবং ধর্ম-বর্ণ-ভাষায় বৈচিত্র্য সমুন্নত রাখতে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও দর্শন উজ্জ্বল এক আলোকবর্তিকা। বিশ্বকবির ব্যঞ্জনাময় উপস্থিতি শোষণ, বঞ্চনা, সাম্প্রদায়িকতা ও স্বৈরতন্ত্র প্রতিরোধে বাঙালীর অগ্রযাত্রাকে চিরকাল অব্যাহত রাখবে।

নানা আয়োজন: প্রতিবছরের মতো এবারও প্রাণের আবেগ ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় বাঙালী উদ্যাপন করছে দিবসটি। ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে উৎসব অনুষ্ঠান। বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমির রবীন্দ্রচত্বরে আলোচনাসভা, রবীন্দ্র-পুরস্কার প্রদান, আবৃত্তি ও সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান। আলোচনা করেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও বেগম আকতার কামাল। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি এমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার থেকে ছায়ানট আয়োজন করছে দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র উৎসবের। সন্ধ্যায় ছায়ানট মিলনায়তনে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। চলবে ৯ মে পর্যন্ত। আয়োজকরা জানান, রবীন্দ্রনাথের গান, পাঠ, আবৃত্তি ও নৃত্যসহ নানা আয়োজন থাকছে উৎসবে।

বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার উদ্যোগে চলছে পাঁচ দিনের রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব। পঞ্চবিংশ জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব উপলক্ষে মুখর সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন।

রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংসদের আয়োজনে মঙ্গলবার থেকে শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে শুরু হয়েছে দুই দিনের অনুষ্ঠানমালা। দ্বিতীয় দিনে আজ থাকবে বিশেষ আয়োজন।

উদীচী বৃহস্পতিবার আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান। এতে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কামাল লোহানী।

১৫৩তম রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন থাকছে নাট্যমঞ্চে। আজ বৃহস্পতিবার অফিসার্স ক্লাবে রবীন্দ্রনাথের ‘চিত্রাঙ্গদা’ মঞ্চায়ন করবে স্বপ্নদল। এ ছাড়াও কয়েকটি দল রবীন্দ্রনাথের নাটক মঞ্চস্থ করবে বলে জানা গেছে।

ঢাকার বাইরে শাহজাদপুর, শিলাইদহের কুঠিবাড়িসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রবীন্দ্র জয়ন্তীর বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে অসুস্থ মির্জা ফখরুল

উত্তরাঞ্চলের মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত : নাহিদ ইসলাম

জিয়াউর রহমান হত্যায় আটক মেজর মোজাফফরকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

রাজস্ব-মূল্যস্ফীতি-ব্যাংকিং সংকট নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ বাঁচাতে পারবে বাংলাদেশ?

বিচ্ছেদের পর গোপন প্রেমের গুঞ্জন মৌনীর

প্রেগন্যান্সিতে স্পটিং কি স্বাভাবিক?

আর্জেন্টিনার সঙ্গে বিয়ের কী সম্পর্ক : তিশা

টাকা দিয়ে পুরস্কার কিনে নিতে পারবো : আলিয়া

ফাইনালের আগে স্পেনের জন্য বড় দুঃসংবাদ

পর্দার বাইরে জীবন খুব সাধারণ: স্পর্শিয়া