,

মানবাধিকারের ধর্ম ইসলাম

news-image

১৯৪৮ সাল থেকে জাতিসংঘের নির্দেশনায় প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্বের সকল দেশে মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। ইসলাম মানবাধিকারে ধর্ম ইসলাম। মানবতার নবী মুহাম্মদ সা.। ইসলাম প্রদত্ত মানবাধিকারগুলো সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলো।

১. জীবনের মর্যাদা বা বেঁচে থাকার অধিকার ২. অক্ষম ও দুর্বলদের নিরাপত্তা লাভের অধিকার ৩. মহিলাদের মান-সম্ভ্রমের নিরাপত্তা লাভের অধিকার ৪. অন্ন বস্ত্র ও চিকিৎসা পাবার অধিকার ৫. ন্যায় আচরণ লাভের অধিকার ৭. সমতার অধিকার ৮. পাপ কাজ বর্জন করার অধিকার ১০. রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অধিকার ১১. ব্যক্তি স্বাধীনতা ১৩. মান-সম্মানের নিরাপত্তার অধিকার ১৪. ব্যক্তিগত গোপন জীবনের নিরাপত্তা ১৫. যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অধিকার ১৬. স্বাধীন মতামত প্রকাশের অধিকার ১৭. স্বাধীন বিবেক ও বিশ্বাসের অধিকার ১৮. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত থেকে বাঁচার অধিকার ১৯. সভা-সমাবেশের অধিকার ২০. অপরের কর্মকান্ডের দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির অধিকার ২১. সন্দেহের শিকার হওয়া থেকে মুক্ত থাকার অধিকার।

ইসলামই একমাত্র ধর্ম যেখানে স¤পূর্ণভাবে মানবাধিকার অক্ষুন্ন রয়েছে। সমানভাবে এবং বিস্তৃত অবয়বে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছে মানবাধিকার। একজন গভর্নরকে লক্ষ্য করে হজরত ওমর রা. বলেছিলেন, আল্লাহ তো প্রত্যেক মানুষকে স্বাধীন করে সৃষ্টি করেছিলেন এবং প্রত্যেক মা তাঁর সন্তানকে স্বাধীনভাবে জš§ দিয়েছেন, কে তোমাদের গোলাম করল? বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য হজরত ওমরের রা.-এই একটি মাত্র বাণীর বাস্তবায়নই যথেষ্ট। রাসূল সা.-এর সময়কালে হিজরি ৬২৪ সালের মদিনা সনদ বিশ্ব মানবাধিকারের স্বীকৃতির জন্য বিখ্যাত।

দেখুন রাসুল সা. এখানেও কীভাবে মানবতার পক্ষে কাজ করেছেন। মদিনার সনদের মানবাধিকার সংক্রান্ত কিছু ধারা হলো- ১. মদীনা সনদে স্বাক্ষরকারী ইহুদী, খ্রিষ্টান, পৌত্তলিক ও মুসলমান সম্প্রদায়সমূহ সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে এবং তারা একটি জাতি গঠন করবে। ২. পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় থাকবে। মুসলমান ও অমুসলমান সম্প্রদায়ের লোকেরা বিনা দ্বিধায় নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। ৩. রক্তপাত, হত্যা, ব্যভিচার এবং অপরাপর অপরাধমূলক কার্যকলাপ একেবারেই নিষিদ্ধ করা হলো। ৪. দুর্বল ও অসহায়কে সর্বতোভাবে সাহায্য ও রক্ষা করতে হবে। ৫. ইহুদীদের মিত্ররাও সমান নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা ভোগ করবে।
রংষধস-ঢ়রড়হববৎ-ড়ভ-ংড়পরধষ-লঁংঃরপব-২ইসলামই একমাত্র ধর্ম যে ধর্মে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত বাণী উচ্চারিত হয়েছে। কিন্তু আফসোস ইসলামের প্রকৃত ধারক-বাহকরা আজ এই নববি আর্দশ থেকে অনেক দূরে। আলেমদের সক্রিয় অংশ গ্রহণ নেই মানবাধিকার কর্মসূচি নিয়ে। আজ সমাজের বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন পর্যায়ে নানাভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার। মানুষ হারাচ্ছে তার ন্যায্য অধিকার। পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন গড়ে উঠছে মানবাধিকারের কথা নিয়ে কিন্তু আসলে হচ্ছেটা কী?

প্রকৃত অর্থেই কি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে মানবাধিকার? মানুষ কি ফিরে পাচ্ছে ন্যায্য অধিকার? মানবাধিকার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সার্থক পদ্ধতি হচ্ছে ইসলাম এবং রাসুল সা. বাস্তবায়িত পদ্ধতি। সমাজের চেতনাদীপ্ত আলেমরা এগিয়ে আসলে সমাজ মানবাধিকারের উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত হবে। সময়ের দাবি হলো, আলেমদেরও মানবাধিকার নিয়ে নানা কর্মসূচি থাকা চাই। যখনই ইসলামের চেতনা ধারন করে মানবাধিকার আন্দোলনে নেমে আসবেন আলেমরা; মানুষ তাদের ন্যায অধিকার ফিরে পাবে।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর