,

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের অনেকগুলো গ্রুপ: আইনমন্ত্রী

532edc05a3e40-Untitled-1আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের মধ্যে এক-দুইটা নয়, অনেকগুলো গ্রুপ। কৌঁসুলিদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে তিনি আগামী মঙ্গলবার সভা ডেকেছেন। খুব শিগগির এগুলো দূর হবে বলে তিনি আশা করছেন।

আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত মিট দ্য প্রেসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। ল রিপোর্টার্স ফোরাম এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের দ্বন্দ্ব নিরসনে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন—এমন এক প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের মধ্যে এক-দুইটা গ্রুপ হলে হতো, আমি দেখলাম সেখানে অনেকগুলো গ্রুপ। আমি ভেবেছিলাম, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তাঁরা নিজেরাই সমাধান করুক, আমার হস্তক্ষেপ ছাড়া। কিন্তু তা না হওয়ায় আমি গত বৃহস্পতিবার সবাইকে নিয়ে সভা ডেকেছিলাম। কিন্তু ওই দিন ট্রাইব্যুনালে নিজামীর (জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী) বিরুদ্ধে মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের দিন ছিল। তাই ওই সভা বাতিল করা হয়। নতুন করে ২৫ মার্চ সভা ডাকা হয়েছে। ওই দিন আমি সবার কথা শুনব, তারপর পদক্ষেপ নেব। আমি চাই ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষ সুষ্ঠুভাবে, শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে চলুক।’

মিট দ্য প্রেসে জানতে চাওয়া হয়, সম্প্রতি একজন আইনজীবী সাংবাদিকদের সম্পর্কে বলেছেন, সাংবাদিকেরা টাকা নিয়ে লেখে। আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় এমন ঘটনা আছে কি না? জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, আমি এটা বিশ্বাস করি না এবং এমন কোনো নমুনা আমার কাছে নেই।’

জামায়াত নিষিদ্ধ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল নিষ্পত্তির পর দলটি নিষিদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ বিষয়টি আদালতের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না। আদালতে বিষয়টা ইতিমধ্যে আছে। এ জন্য আমরা এখন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছি না।’

জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে গত বছরের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামায়াত, যার শুনানি এখনো হয়নি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গৃহকর্মীর মামলা হয়রানিমূলক হলে বিচারের মুখোমুখি হতে যাওয়া বাংলাদেশি কূটনীতিককে রক্ষা করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল (শনিবার) ব্যাপারটা জেনেছি। আমরা প্রথমে এই ঘটনার সব তথ্য জানার চেষ্টা করব। অভিযোগ মিথ্যা ও মামলা হয়রানিমূলক হলে আমরা অবশ্যই আমাদের কূটনীতিককে রক্ষা করব।’

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা একান্ত ব্যক্তিগত বক্তব্য হচ্ছে, ঘটনাটি যদি সত্যও হয়, তাহলে আমাদের কূটনীতিককে আমরা ফিরিয়ে এনে তাঁর বিচারের ব্যবস্থা করব।’

নিউইয়র্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মুনিরুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী ফাহিমা তাহসিনার বিরুদ্ধে বিনা পারিশ্রমিকে ‘দাসত্বের মতো পরিবেশে’ কাজ করতে বাধ্য করার অভিযোগে শুক্রবার একটি মামলা করেছেন তাঁদের সাবেক গৃহকর্মী বাংলাদেশি মাসুদ পারভেজ। যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কূটনীতিক দেবযানী খোবরাগাড়ের পর এবার একই ধরনের গুরুতর অপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশি কূটনীতিক।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত দুই আলবদর নেতা চৌধুরী মুঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খানকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, ‘এখানে আমি প্রতিবন্ধকতার কথাটা বলি। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশ, বিশেষত ইউরোপ মৃত্যুদণ্ডকে সাজা হিসেবে মেনে নিতে রাজি নয়। আমাদের ওপর তাদের যথেষ্ট চাপ আছে যেন মৃত্যুদণ্ড আমরা তুলে দিই। তবে আমি পরিষ্কারভাবে বলেছি, যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সঙ্গে এই দণ্ডের বিষয়ে আপসের সুযোগ নেই।’

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জেলহত্যা মামলার পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছি। তাদের যেসব দেশ আশ্রয় দিয়েছে, সেসব দেশ জঙ্গিবাদকে স্পনসর করে। যেমন পাকিস্তান ও লিবিয়া। তাই তাঁদের খুঁজে বের করে আনা সহজ নয়।’

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর