দুর্গাপূজার স্মৃতিতে ডুবেছেন তারকারা
বিনোদন ডেস্ক : শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। উৎসবের এই আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের তারকাদের মধ্যেও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পূজার নানা মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিতে ফিরে যাচ্ছেন অনেকেই। অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম, অপু বিশ্বাস ও পূজা চেরীর কাছে দুর্গাপূজা মানেই আনন্দের পাশাপাশি ফেলে আসা দিনের নানা গল্প।
বিদ্যা সিনহা মিমের কাছে শৈশবের পূজা
অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের কাছে দুর্গাপূজার পুরোনো দিনগুলো এখন শুধুই স্মৃতি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নতুন পোশাক পরে এক মণ্ডপ থেকে অন্য মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানো, দেবীর কাছে সবার মঙ্গল কামনা, পছন্দের খাবার খাওয়া এবং বন্ধুদের সঙ্গে নাচ-গানে মেতে ওঠার মুহূর্তগুলো আজও মনে পড়ে তার।
বর্তমানেও পূজার দিনগুলো নতুন সাজে উদযাপন করেন মিম। তবে তার মতে, শৈশব ও কৈশোরের সেই নির্ভার আনন্দ আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই উৎসবের প্রতিটি দিনে অতীতের স্মৃতির সঙ্গে মিল খুঁজে নিয়ে আনন্দ উপভোগ করার চেষ্টা করেন তিনি।
অপু বিশ্বাসের স্মৃতিতে বগুড়ার পূজা
ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের শৈশব কেটেছে বগুড়ায়। ছোটবেলায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্গাপূজা উদযাপনের দিনগুলো এখনো তার মনে বিশেষ জায়গা দখল করে আছে।
নতুন জামা পরে সকালে প্রতিমা দেখতে যাওয়া, বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের সমাগম, মায়ের হাতে তৈরি ভোগ এবং সবার সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠা—সব মিলিয়ে পূজার দিনগুলো ছিল তার কাছে অন্যরকম আনন্দের। বিশেষ করে মহাষ্টমীর ভোগের খিচুড়ি, লাবড়া ও বিভিন্ন পদের ভাজার স্বাদ আজও ভুলতে পারেননি তিনি।
অপু বিশ্বাসের মতে, সময়ের সঙ্গে পূজা উদযাপনের ধরন বদলালেও উৎসবের আনন্দ এখনো অটুট রয়েছে। তাই সবাইকে দুশ্চিন্তা ভুলে উৎসবের দিনগুলো আনন্দের সঙ্গে কাটানোর আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
পূজা চেরীর আনন্দে মায়ের অভাব
পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে দুর্গাপূজা উদযাপন করলেও অভিনেত্রী পূজা চেরীর মনে রয়েছে বিষাদের ছায়া। উৎসবের আনন্দঘন মুহূর্তে প্রয়াত মায়ের অভাব আরও বেশি অনুভব করছেন তিনি।
পূজা জানান, তার গ্রামের বাড়ি খুলনায় হলেও বেড়ে ওঠা রাজধানীর হাজারীবাগে। ছোটবেলায় নানা রঙের পোশাক পরে পূজামণ্ডপে ঘুরে বেড়ানো, উপহার পাওয়া এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানোর স্মৃতি এখনো তার মনে উজ্জ্বল।
তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজারসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন মন্দির ঘুরে বেড়ানোর দিনগুলোও মনে পড়ে তার। পূজার সময় বাড়িতে আত্মীয়দের আনাগোনা এবং একসঙ্গে নানা ধরনের খাবার খাওয়ার মুহূর্তগুলো ছিল শৈশবের অন্যতম আনন্দ।
তবে সময় বদলেছে, বদলেছে জীবনের অনেক কিছু। উৎসবের আনন্দের মধ্যেও মায়ের অনুপস্থিতি পূজা চেরীর মনে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। তার কাছে দুর্গাপূজা তাই আনন্দ, ভালোবাসা ও স্মৃতির পাশাপাশি প্রিয়জনকে হারানোর বেদনারও নাম।











