রামপালে এক ইউনিট বন্ধ, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন
অনলাইন ডেস্ক : কারিগরি সমস্যার কারণে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমেছে।
রোববার দুপুরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২ বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সময়ে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেল ৩টার দিকে আদানি কেন্দ্র থেকে প্রায় ৮৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। এর আগে বুধবার থেকে সেখানকার সরবরাহ গড়ে ৭৫০ মেগাওয়াটের কাছাকাছি ছিল।
এর আগে বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটও বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়ে দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং বেড়ে যায়। বন্ধ ইউনিটটি চালুর পর ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়াতে থাকে কেন্দ্রটি।
এর মধ্যেই রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি সমস্যায় রামপাল কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। সাম্প্রতিক সময়ে কয়লা সংকটের কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন কমেছিল। বর্তমানে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত থাকায় দুই ইউনিট মিলিয়ে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন উৎপাদন অনেকটাই কমেছে।
বন্ধ ইউনিটটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানান পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ইউনিট বন্ধের পর সেটি পুরোপুরি ঠান্ডা হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এরপর ভারত থেকে দুজন প্রকৌশলী এসে বিষয়টি পরীক্ষা করবেন। আরও দুই দিন পর ইউনিটটি চালুর সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।










