,

নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই

news-image

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সর্বশেষ আসরের নিলাম থেকে বাদ পড়া নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিসিবির স্বাধীন দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল।

নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় থাকার পরও এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু, সানজামুল ইসলাম, নিহাদ-উজ-জামান, শফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান, শিহাব জেমস ও মনির হাসান খানকে শেষ মুহূর্তে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

বিসিবি জানিয়েছিল, ইন্টেগ্রিটি কমিটির প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের সুপারিশের ভিত্তিতেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে বিপিএলের একটি আসর ঘিরে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত ও মূল্যায়ন করা হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়ায় কয়েকজন ক্রিকেটারের বিষয়ে নেতিবাচক তথ্য পাওয়া যায় এবং তাদের ‘রেড ফ্ল্যাগ’ তালিকায় রাখা হয়েছিল।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে অ্যালেক্স মার্শাল বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেন, ওই নয় ক্রিকেটারের কারও ওপর বর্তমানে ক্রিকেট খেলার নিষেধাজ্ঞা নেই। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও দায়ের করা হয়নি। ফলে তারা ক্রিকেট খেলতে পারবেন।

তিনি জানান, শুধু ওই নয়জন নয়, আরও কয়েকজনকে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলামে আমন্ত্রণ না জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনে পাওয়া নেতিবাচক তথ্যের ভিত্তিতেই এমন সুপারিশ করা হয়েছিল।

মার্শালের ভাষ্য অনুযায়ী, নিলামের আগে নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য হাতে আসে। সেখানে দেশি-বিদেশি কয়েকজনের বিষয়ে নেতিবাচক তথ্য ছিল। বিষয়টি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে ওই আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিষয়গুলো নিয়ে তদন্ত করা হয়েছে।

দুর্নীতি বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের তথ্য কীভাবে তদন্তের আওতায় আসে, সেটিও ব্যাখ্যা করেন মার্শাল। কোনো খেলোয়াড়কে খারাপ খেলার বিনিময়ে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলে সেটিকে ফিক্সিংয়ের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের তথ্য খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজার বা সাংবাদিকদের কাছ থেকে এলে তা ইন্টেগ্রিটি ইউনিটকে জানানো হয়।

তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্নীতি ও অনিয়মসংক্রান্ত বিষয়গুলো বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট দেখভাল করে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বিষয়গুলো মূলত আইসিসির আওতাধীন। তবে আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনো অনিয়মের তথ্য পেলে, সেটি যদি ঘরোয়া ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট হয়, তাহলে বিসিবির কাছে পাঠানো হয়।