দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম আসিফের
অনলাইন ডেস্ক : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখপাত্রের দেওয়া বক্তব্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দাবি পূরণ না হলে দুদক ও সংশ্লিষ্ট মুখপাত্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আসিফ মাহমুদ।
এর আগে দুদকের মুখপাত্র মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, আসিফ মাহমুদ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার সিন্ডিকেট এবং অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামকে দলের প্রধান করা হয়েছে।
অনুসন্ধানের আওতায় থাকা অন্য কর্মকর্তারা হলেন তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
দুদক সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে পদোন্নতি ও বদলির আদেশের বিনিময়ে ঘুষ লেনদেন, সরকারি কাজের টেন্ডার ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেট এবং বিসিবির বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘুষের অর্থ হুন্ডি ও বিটকয়েনের মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে বলে জানানো হয়।
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে—এমন বক্তব্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট খবর প্রত্যাহার না করা হলে দুদক এবং এর মুখপাত্রের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানহানির অভিযোগে মামলা করার কথা উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, একজন নাগরিকের সম্মানহানি করার জন্য দুদকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যেভাবে আয়োজন করে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, একইভাবে প্রকাশ্যে সেটি প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে।











