,

খালাসের জন্য তদবির করায় হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনাল

news-image

আদালত প্রতিবেদক : খালাসের জন্য আসামিপক্ষ তদবির করা হয়েছে বলে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকুকে পাঁচ টুকরো করে হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে আগামী ৩১ মার্চ ঠিক করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার এ মামলায় ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিলো।

বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে প্রকাশ্য আদালতে বিচারক জানান, আসামিপক্ষ খালাসের জন্য তদবির করছে। তাই আজ বুধবার রায় হবে না, আগামী ৩১ মার্চ রায় ঘোষণা করা হবে।

‎বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা বিচারকের কথার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

‎মামলার আসামিরা হলেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, তার স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাস্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন, শিবলু। আসামিদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ পলাতক রয়েছে।

‎মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রিংকুর সঙ্গে মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়মসহ অন্যান্য আসামিদের একাধিক মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত্রুতা ছিল। মতিউর রহমান ও মরিয়মের পরিকল্পনায় ও নির্দেশনায় ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রিংকু মালিকান্দার চকে (ফসলে মাঠ) যাওয়ার পথে সকল আসামিরা এলাকার ধনিয়াক্ষেতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পাঁচ টুকরো করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় পরদিন রিংকুর ছোট ভাই মো. এরশাদ নবাবগঞ্জে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ২২ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরাফাত হোসেন। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জন সাক্ষ্য দেন। আসামিদের পক্ষে দুই জন সাফাই সাক্ষ্য দেন। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের দিন ঠিক করেন।

আমাদের সময়/জেআই