,

প্রথমে নিজামী পরে মীর কাসেমের চূড়ান্ত রায়

news-image

এবার জামায়াতে ইসলামীর আমির সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী এবং একই দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মীর কাসেম আলীর ভাগ্য নির্ধারণের পালা। আপিল বিভাগে এই দুজনের আপিল শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজার বিরুদ্ধে এ দুজনের করা আপিল শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায় দেবেন আপিল বিভাগ। ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল রাখা হবে নাকি অন্য কোনো রায় দেওয়া হবে তা নির্ভর করছে আপিল বিভাগের ওপর। গত বছর ২৩ নভেম্বর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন নিজামী। একই বছরের ৩০ নভেম্বর আপিল করেন মীর কাসেম আলী। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এ আপিল দুটি দাখিল করা হয়। এ পর্যন্ত আপিল বিভাগে যত মামলার শুনানি হয়েছে তার সব কটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগে যেটিতে আপিল হয়েছে, সেটির শুনানিই আগে হয়েছে। এ ছাড়া একটি শুনানি শেষ হলে পরেরটি শুরু করেছেন আপিল বিভাগ। এই ধারা বজায় থাকলে আগে নিজামীর ও পরে মীর কাসেম আলীর আপিলের শুনানি হতে পারে। একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর জামায়াতের দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। দলটির আরেক নেতা সিনিয়র নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর চূড়ান্ত রায় হওয়ার পর তিনি এখন কারাবন্দি। তাঁকে আপিল বিভাগ আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ তিনজনের পর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরীর আপিল শুনানি শেষে যথাক্রমে গত ১৬ জুন ও ২৯ জুলাই রায় দেওয়া হয়েছে। এবার আপিল বিভাগের বিচারের পর নিজামী ও মীর কাসেম আলীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে তাঁদের মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

প্রথমে নিজামী পরে মীর কাসেমের চূড়ান্ত রায়? জানা গেছে, নিজামী ও মীর কাসেম আলীর মামলায় দুই পক্ষের সারসংক্ষেপ জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। সর্বশেষ গত ১০ মার্চ আপিল বিভাগ এক আদেশে ৩১ মার্চের মধ্যে সারসংক্ষেপ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এদিন আপিল বিভাগ আদেশে বলেছিলেন, নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে সারসংক্ষেপ জমা না দিলে ধরে নেওয়া হবে আপিল শুনানির জন্য উভয় পক্ষ প্রস্তুত আছে। এ ছাড়া মীর কাসেম আলীর মামলায় গত ২৮ মে আপিল বিভাগ এক আদেশে চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আপিল বিভাগের এই নির্দেশনা অনুযায়ীই আগে নিজামীর আপিলের শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে কোন আপিলটি আগে শুনবেন। নিজামী ও মীর কাসেম আলীর আপিলের শুনানির পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেন, হবিগঞ্জের জাতীয় পার্টির নেতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, মাওলানা আবদুস সুবহান এবং ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জব্বারের আপিলের ওপর শুনানি হতে পারে। তাঁদের মধ্যে আবদুল জব্বার ছাড়া অন্যদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। জব্বার ছাড়া অন্যরা কারাবন্দি। পিরোজপুরের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির নেতা আবদুল জব্বার পলাতক থাকলেও সরকারপক্ষ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। এ ছাড়া অন্য যাঁরা পলাতক রয়েছেন তাঁরা আপিল করতে পারেননি। 

এ জাতীয় আরও খবর

আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার জরুরি: রাষ্ট্রপতি

প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ২১ সেপ্টেম্বর

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় ৭ এমপির মধ্যাহ্নভোজ

বিদেশে সম্পদ মিললে ১০ শতাংশ চাইলেন আসিফ

পাথরবোঝাই বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

রামপালে এক ইউনিট বন্ধ, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

গার্মেন্টসে শতভাগ দেশি জনবল সম্ভব: মাহ্দী আমিন

মালয়েশিয়ায় ৩৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৭২ জন আটক

গুলশানের মিছিলে গ্রেপ্তার ৯ জন কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৬১