বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উখিয়ায় শতাধিক বাড়ি বিধ্বস্ত, আহত ২৪

news-image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বুধবার রাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে দমকা হাওয়ায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় শতাধিক কাঁচা ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ে ঘরের নিচে ও গাছ উপড়ে পড়ে আহত হয়েছে ২৪ জন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে উখিয়ার পালংখালী, থাইংখালী, বালুখালী এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে জোয়ারের পানিতে এলাকার প্রায় ২ হাজার একরেরও বেশি চিংড়ি ঘের পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নে ৭০টি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে ১৯ জন আহত হয়েছে। এরমধ্যে রহমতের বিল গ্রামের একই পরিবারের ৪ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় পানের বরজ, বীজতলাসহ ব্রিজ, কালভার্ট ও ২০ কিলোমিটারেরও বেশি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতিরিক্ত পানির কারণে আশপাশের ৮টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে প্লাবিত হয়ে পড়ার পড়েছে।
রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী জানান, তার ইউনিয়নে ২০টির বেশি কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এক শিশুসহ অন্ততপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। এলাকার প্রায় ১৪ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় লোকজনের দুর্ভোগ বেড়েছে। ইউনিয়নের বটতলী এলাকা হয়ে ফারির বিলে যাওয়ার নির্মাণাধীন কার্পেটিং সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পালংখালী থেকে তেলখোলা সড়কের বিভিন্ন স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন হয়েছে।
 
উখিয়ায় শতাধিক বাড়ি বিধ্বস্ত, আহত ২৪


অতিরিক্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়া চিংড়ি ঘের রাজাপালং ইউনিয়নের ফারির বিল আলিম মাদ্রাসা, সোনারপাড়া কেজি কিন্ডার গার্টেন, থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয়, থাইংখালী কেজি স্কুল ও নূরানী মাদ্রাসাসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন রয়েছেন। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় কক্সবাজার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উখিয়ার পল্লী বিদ্যুত সমিতির ডিজিএম নুর হোসেন।
 
উখিয়ার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম মাহফুজুর রহমান জানান, উপকুলীয় এলাকার লোকজনদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উপকুলীয় এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য দূর্যোগ মোকাবেলার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা