,

বাঞ্ছারামপুরে ১৩ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান “কোথাও কেউ নেই”

news-image
ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মেয়রসহ ১৩ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সবাই এখনো লাপাত্তা।যাদের ৭জনই বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন।বর্তমানে  এদের সবাই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবীতে আসীন রয়েছেন।
খোজ নিয়ে জানা গেছে,লাপাত্তা চেয়ারম্যানরা অফিস করছেন না, পরিষদের কাজকর্মেও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম।এদের মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন ২জন।তারা হলেন, আলোচিত ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যার আসামী  হয়ে কারারুদ্ধ সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যা.এবি তাজুল ইসলামের ভাগিনা ও উজানচর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী জাদিদ আল রহমান জনি ও ছলিমাবাদ ইউপির জালাল মিয়া।
এর আগে বিনা ভোটে নির্বাচিত বাঞ্ছারামপুর  পৌর মেয়র তফাজ্জল হোসেনকে অপসারণ করেছে সরকার। তার জায়গায় ইউএনও কে পৌরসভার প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য অফিসার নিয়োগ দেওয়া হলেও পরিষদের অন্যান্য কার্যক্রম চলছে ঢিলেঢালাভাবে।
আত্মগোপনে থাকা ১৩ ইউনিয়ন পরিষদের বাদবাকী ১১ চেয়ারম্যানরা হলেন সোনারামপুর ইউপির শাহিন আহমেদ, তেজখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া, পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান গাজীউর রহমান , সদর ইউপি চেয়ারম্যান আ.রহিম,মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান , ফরদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম, দরিয়াদৌলত  পরিষদের  চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান উজ্জ্বল , ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান আ.করিম চৌধুরী , রুপসদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ.হাকিম, দরিকান্দি ইউপির মির্জা সফিকুল ইসলাম স্বপন ও আইয়ুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা নজরুল ইসলাম।
তাদের পাশাপাশি অনেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এমনকি নারী সদস্যও আত্মগোপনে আছেন। অনেকে মামলার আসামি হয়েছেন। আবার অনেকেই মামলা হামলার ভয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। প্রকাশ্যে আসছে না এদের কেউই। পৌরসভার বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরও আছেন এ তালিকায়।
বাঞ্ছারামপুর ছলিমাবাদ  এলাকার বাসিন্দা রেজন মিয়া বলেন, ‘চাকরির আবেদনের জন্য চেয়ারম্যান সনদ নিতে তিন দিন ধরে পরিষদে ঘুরছি। কিন্তু চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির কারণে সনদ নিতে পারছি না। সনদ না পেলে আমার চাকরির আবেদন করা হবে না।’
একই এলাকার রফিকুল ইসলাম  নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘স্থায়ী বাসিন্দা সনদ ছাড়া ছাত্রাবাসে সিট পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারছি না। এ কাজে কয়েক দিন পরিষদে এসেছি। প্রতিদিন যাতায়াতে অর্থ ও শ্রম ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল মনসুর বলেন, ‘যেসব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা অনুপস্থিত, তাদের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে সরকার। ইতোমধ্যেই কিছু কিছু ইউনিয়নে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অফিসার নিয়োগ দিয়ে সেবা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।অচিরেই ভোগান্তি কমে যাবে।’

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট