,

ঋণ-অনুদাননির্ভর ঢাকার দুই সিটির বাজেট

news-image

নির্বাচিত হওয়ার পর আজ প্রথম বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকার বাজেটে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নিজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮০০ কোটি টাকার কিছু বেশি। অন্যদিকে ঘোষণার অপেক্ষায় থাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রস্তাবিত ২ হাজার ৮৫ কোটি টাকার বাজেটে নিজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩২ কোটি ৯ লাখ টাকা। অর্থাত্ বাজেট বাস্তবায়নে দুটি করপোরেশনের প্রয়োজন হবে দাতাসংস্থার ঋণ ও সরকারি থোক বরাদ্দ। ডিএনসিসি সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে হোল্ডিং কর, বাজার সালামি, বাজার ভাড়া, রিকশার লাইসেন্স, অকট্রয়, সম্পত্তি হস্তান্তর কর, ট্রেড লাইসেন্স ও প্রমোদকর থেকে ৭৩৪ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিজ্ঞাপন কর, বাস-ট্রাক টার্মিনাল, পশুর হাট, সম্পত্তি ইজারা, পুরনো মালামাল বিক্রি, জবাইখানার ইজারা, রাস্তা খনন ফি, ঠিকাদারের তালিকাভুক্তি, যন্ত্রপাতি ভাড়া, শিডিউল ফরম বিক্রি, কমিউনিটি সেন্টারের ভাড়া, কবরস্থান ও শ্মশানঘাট-এ ১৬টি খাত থেকে ট্যাক্স বাবদ বছরে প্রায় ৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি থোক বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা এবং প্রকল্প থেকে বাদবাকি আয়ের টার্গেট করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কেইস প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর ফুটপাত, ফুটওভার ব্রিজ এবং ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি স্থাপন, কুয়েত সরকারের অনুদানে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক-ফুটপাত-ড্রেনেজ সংস্কারসহ আরও কিছু উন্নয়ন প্রকল্প থেকে এই পরিমাণ অর্থ পাওয়ার টার্গেট ধরা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব ব্যয় ৪০০ কোটি টাকা আর উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ৫০ কোটি টাকা সঞ্চয় করার পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। রাজস্ব ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতাসহ রুটিন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ছাড়া মশক নিয়ন্ত্রণে ১৫ কোটি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে ২০ কোটি, আন্ডারপাস নির্মাণে ১০ কোটি, পার্ক উন্নয়নে ২ কোটি ৫০ লাখ, নগরভবন নির্মাণে ৩০ কোটি ও পশু জবাইখানা নির্মাণে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উন্নয়ন ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানীর সড়ক-ফুটপাত-ড্রেন সংস্কারের একাধিক প্রকল্প, রায়েরবাজার কবরস্থান প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন, কেইস প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর ফুটপাত সংস্কার করে আধুনিক মানের ফুটপাত তৈরি, ফুটওভার ব্রিজ তৈরি এবং সিগন্যাল বাতি স্থাপন।
অন্যদিকে ঘোষণার অপেক্ষায় থাকা ডিএসসিসির ২ হাজার ৮৫ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি ও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প এবং সরকারি ও বৈদেশিক অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ভিত্তিক প্রকল্প থেকেই অর্থ প্রাপ্তির টার্গেট করা হয়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। পাশাপাশি রয়েছে ৩২৭ কোটি টাকার সরকারি অনুদানের টার্গেট। এ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ও ব্যবহার অযোগ্য মালামাল বিক্রি, স্থায়ী আমানতের সুদ, বিলুপ্ত সিটি করপোরেশন থেকে প্রাপ্ত অর্থসহ আরও কিছু খাত থেকে ১৫ কোটি ২২ লাখ টাকা পাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বাজেটে। প্রস্তাবিত বাজেটে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনসহ মোট রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা। নিজস্ব অর্থ ও সরকারি অনুদান থেকে উন্নয়নে ব্যয় করা হবে ৫৭৪ কোটি ৭৯ লাখ এবং সরকারি ও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প এবং সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ভিত্তিক প্রকল্পে ১ হাজার ৬০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার জরুরি: রাষ্ট্রপতি

প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ২১ সেপ্টেম্বর

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় ৭ এমপির মধ্যাহ্নভোজ

বিদেশে সম্পদ মিললে ১০ শতাংশ চাইলেন আসিফ

পাথরবোঝাই বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

রামপালে এক ইউনিট বন্ধ, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

গার্মেন্টসে শতভাগ দেশি জনবল সম্ভব: মাহ্দী আমিন

মালয়েশিয়ায় ৩৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৭২ জন আটক

গুলশানের মিছিলে গ্রেপ্তার ৯ জন কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৬১