,

খুলছে পর্যটন কেন্দ্র, স্বস্তিতে ব্যবসায়ীরা

news-image

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) থেকে খুলছে পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধারণক্ষমতা বা আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশের বেশি ব্যবহার করা যাবে না। তারপরও দীর্ঘসময় বন্ধ থাকার পর ফের খোলার ঘোষণায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

অতিথিদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিয়েছে হোটেল, রিসোর্ট, বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলো। পর্যটন কেন্দ্রের সবাই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা তা নজরদারী করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

সরকারের এ ঘোষণার পর থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করে পর্যটনখাতের ব্যবসায়ীরা। পরিচ্ছন্নতাসহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনার জন্য করণীয় নির্ধারণ করতে ১৭ আগস্ট বৈঠক করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে- এমন সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ট্রিয়াব) সভাপতি খবির উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অতিথিরা রিসোর্টে আসবেন। তবে যে বিধি-নিষেধ দেওয়া হয়েছে তাতে ব্যয়ের তুলনায় আয় তেমন হবে না। রিসোর্ট চালু রাখলে অপারেশনাল খরচ হবে শতভাগ। কিন্তু অতিথি রাখা যাবে অর্ধেক। তাই লোকসান থেকেই যাবে।’

এদিকে অনেক রিসোর্ট ইতোমধ্যে অতিথিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত, সিলেট, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার পর্যটন স্থানে যেতে শুরু করেছেন পর্যটকরা।

ঢাকার আশেপাশে গাজীপুর ও মুন্সীগঞ্জের রিসোর্টগুলোতে ১৯ তারিখের আগেই অতিথি থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, হোটেল-রিসোর্টের বাইরে খোলা জায়গায় পর্যটক নিয়ন্ত্রণকেও চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, স্থানীয় প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে পদক্ষেপ না নিতে পারলে ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, ‘হোটেল-রিসোর্টগুলো তাদের নিজেদের ব্যবসায়ীক স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে। কিন্তু খোলা জায়গায় ভিড় সামলাবে কে? ভিড়ের কারণে আবার এ খাত বন্ধ করে দেওয়া হলে দায় কে নেবে? পর্যটন শিল্পকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দিতে হবে। এজন্য সরকারের সহায়তাও প্রয়োজন।’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোকে নিয়মিত মনিটরিং করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছে। স্বাস্থ্যবিধির প্রচারণা ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সচেতন করার পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, জীবিকার জন্য পর্যটন কেন্দ্র খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এখানে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কোনও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে পর্যটন বোর্ড একটি আদর্শ পরিচালনা পদ্ধতিও তৈরি করেছে।

প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবাসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করেছি। স্থানীয় প্রশাসন যাতে নিয়মিত মনিটর করে সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা

সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে হুতি

রসদ সংকট ও সামরিক প্রস্তুতিহীনতায় দিশেহারা মার্কিন সেনা: দ্য ইন্টারসেপ্ট