বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ১৭ দিন পর গ্রামবাসীর জালে ধরা সেই কুমির

news-image

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে পদ্মা নদী সংলগ্ন একটি জলাশয়ে এসে অবস্থান করতে থাকা বিরল প্রজাতির কুমিরটি ১৭ দিন পর উদ্ধার হয়েছে।

সোমবার দুপুরের দিকে কুমিরটিকে পানিতে দেখতে পেয়ে গ্রামবাসী জাল দিয়ে আটক করে। পরে বন বিভাগে খবর দেওয়া হয়।

কুমিরটিকে বিকেল ৫টার দিকে পদ্মার ওই জলাশয়ে জাল দিয়ে আটকে ডাঙায় তোলা হয়। কুমির দেখতে শত শত উৎসুক জনতা সেখানে জড়ো হয়।

জানা গেছে, ফরিদপুরের সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নে ছালাম খাঁর ডাঙ্গি গ্রামে পদ্মা নদী সংলগ্ন ফালুর কুম নামে পরিচিত ওই জলাশয়ে গত ১৭ দিনেরও বেশি আগে এসে অবস্থান নেয় মিঠা পানির ওই কুমিরটি।

স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার কালাম খান বলেন, এতদিন গভীর পানিতে থাকার পর আজ কুমিরটি পশ্চিমের অল্প পানিতে এসে টানের দিকে উঠতে থাকে। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে স্থানীয়রা সেটি দেখতে পেয়ে অন্যদের খবর দেয়। এরপর সবাই মিলে চারদিকে বড় জাল দিয়ে ঘেরাও করে কুমিরটিকে আটক করা হয়।

তিনি জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা কুমিরটিকে সেখান থেকে জাল দিয়ে বেঁধে ট্রলারে করে ফরিদপুরের দিকে নিয়ে আসার জন্য গোলডাঙ্গি হতে রওনা হন। আপাতত কুমিরটি ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামানের হেফাজতে রাখা হবে।

সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার মোস্তফা সরোয়ার বলেন, কুমিরটি প্রায় সাত ফুট লম্বা এবং দেড় ফুট চওড়া। এটি একটি বড় কুমির। নদীতে গত কয়েকদিন পানি কমতে থাকায় সেটি ভাঙার দিকে চলে এসেছিল।

ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান বলেন, তারা বিষয়টি এরই মধ্যে বন বিভাগকে জানিয়েছেন। তারা এলে তাদের নিকট কুমিরটি হস্তান্তর করা হবে।

কুমরিটি নিরাপদে আটক করতে পারায় গ্রামবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তিনি জানান।

ফরিদপুর বন বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান বলেন, কুমিরটিকে আটক করতে পারার খবর পেয়ে বন্য প্রাণী সম্প্রসারণ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের খুলনা অঞ্চলের কর্মকর্তারা ফরিদপুরে আসছেন। তারা এলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কুমিরটির অবমুক্তর ব্যাপারে।

জানা গেছে, গত ২২ জুলাই কুমিরটি স্থানীয়দের নজরে আসার পর প্রথম ফরিদপুরের বন বিভাগ এবং পরে খুলনা থেকে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ১২ সদস্যের দল ফরিদপুরে এসে দুই দফায় উদ্ধারে অভিযান চালায়।

কুমিরের দেখা যাওয়ার খবরে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের পাশাপাশি আতঙ্কও তৈরি হয়। কুমিরটিকে বিরক্ত না করতে এবং অহেতুক আতঙ্কিত না হওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়। অনেকে কুমিরটি দেখতে ছুটে যান দুর্গম চরে।

জানা গেছে, বিরল প্রজাতির বিলুপ্ত প্রায় এই মিঠাপানির দুটি কুমির সাম্প্রতিককালে উদ্ধার করেছে বন্য ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ। কিন্তু কোনো নারী কুমির নেই।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা আশা করছেন, কুমিরটি নারী প্রজাতির হলে সাফারি পার্কে থাকা পুরুষ প্রজাতির কুমিরের সঙ্গে রাখা হলে এই প্রজাতির কুমিরের বংশবৃদ্ধি করানো যেতে পারে।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা