,

ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেন

news-image

hasina 14ডেস্ক রিপোর্ট : ইন্দোনেশিয়ায় তিন দিনের সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাত এগারোটা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট (বিজি -১৮৭)।

এর আগে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৬টায়) জাকার্তার সুকর্ন হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় বিমানটি।

ঢাকার উদ্দেশে জাকার্তা ছাড়ার আগে সুকর্ন হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান ইন্দোনেশিয়ার ধর্মমন্ত্রী লোকমান হাকিম, জাকার্তায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল কাওনাইন ও ঢাকায় নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভিরানতা আতমাদজা।

জাকার্তায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী আফ্রো-এশীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে রওনা দিয়ে বিকেলে ইন্দোনেশিয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন সন্ধ্যায় জাকার্তায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল কাওনাইন ও তার স্ত্রী সৈয়দা মুশতারী কাওনাইনের দেওয়া স্বাগত নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

পরদিন ২২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী আফ্রো-এশীয় শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে তার ভাষণ দেন। ভাষণে শেখ হাসিনা বিশ্বের দক্ষিণ-দক্ষিণ দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ক্ষুধা ও বৈষম্য, সন্ত্রাস ও সহিংস উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

এদিন সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোট পাঁচটি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক করেন। সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানরা ছিলেন- চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনঝো আবে, সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সেন লুং, মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন সেইন ও কাতারের উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমদ বিন আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। শি জিনপিং ও শিনঝো আবেসহ সব নেতাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন ইন্দোনেশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মেঘবতী সুকর্নপুত্রীর সঙ্গেও। ২২ এপ্রিল রাতে দক্ষিণ-দক্ষিণের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর তার বাসভবনে দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী সফরের তৃতীয় ও শেষ দিন ২৩ এপ্রিল সকালে যোগ দেন শীর্ষ সম্মেলনের মূল অধিবেশনে। সম্মেলনের চতুর্থ প্লেনারি সেশনে কো-চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। শেখ হাসিনার সঙ্গে এই সেশনে কো-চেয়ার ছিলেন মিশরের প্রধানমন্ত্রী ইব্রাহিম মেহলাব। বক্তব্য রাখেন পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, বাহরাইন, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া ও লিবিয়ার সরকার-রাষ্ট্রপ্রধানরা।

এই প্লেনারি সেশনের পর প্রধানমন্ত্রী আরও চার সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এই সরকার-রাষ্ট্রপ্রধানরা ছিলেন- ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী ড. রামি হামদাল্লাহ, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানি।

বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ান প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো যেমন বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন, তেমনি অন্য রাষ্ট্র- সরকারপ্রধানরাও বাংলাদেশের সঙ্গে সার্বিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন।

পুরো সফরেই প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ততার সঙ্গী ছিলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সচিব সুরাইয়া বেগম, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব একেএম শামীম চৌধুরী ও ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল কাওনাইন প্রমুখ।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর