,

অল্পের জন্য রেকর্ড হয়নি, তারপরও পার্পল ক্যাপ রাবাদার

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : ফাইনাল ম্যাচে অন্তত ৩টি উইকেট নিতে পারলেই হতো দিল্লি ক্যাপিট্যালসের দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার কাগিসো রাবাদার। কিন্তু তিনি ৩ ওভারে ৩২ রান খরচ করলেও উইকেট নিতে পেরেছেন মাত্র ১টি। ফলে রেকর্ড গড়া হয়নি তার। তবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির খেতাব পেতে কোনো সমস্যাই হয়নি রাবাদার।

গত আসরের ধারাবাহিকতা আইপিএলের এবারের আসরেও দুর্দান্ত বোলিং করেছেন রাবাদা। ইনজুরির কারণে গতবার খেলতে পারেননি সবগুলো ম্যাচ। মাত্র ১২ ম্যাচেই নিয়েছিলেন ২৫ উইকেট। মাত্র ১ উইকেট বেশি নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির পার্পল ক্যাপ জিতে নেন রাবাদার স্বদেশি লেগস্পিনার ইমরান তাহির।

তবে এবার আর কোনো ভুল করেননি রাবাদা, পড়তে হয়নি ইনজুরিতে, খেলতে পেরেছেন পুরো টুর্নামেন্ট। যার ফলে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির পার্পল ক্যাপ জিতে নিতেও সমস্যা হয়নি কোনো। ফাইনালে মুম্বাইয়ের কাছে হেরে গেলেও ১৭ ইনিংসে ৩০ উইকেট নিয়ে সবার ওপরে নিজের নাম বসিয়েছেন রাবাদা।

যদিও মাত্র ২ উইকেটের জন্য রেকর্ড গড়া হয়নি এ তরুণ পেসারের। আইপিএল ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার ডোয়াইন ব্রাভোর। তিনি ২০১৩ সালের আসরে পকেটে পুরেছিলেন ৩২টি উইকেট। আর মাত্র ২ উইকেট পেলেই এ রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারতেন রাবাদা। আর ৩টি পেলে এককভাবেই গড়তেন রেকর্ড।

আইপিএলের এবারের আসরে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি

১/ কাগিসো রাবাদা (দিল্লি) – ১৭ ইনিংসে ৩০ উইকেট, সেরা বোলিং ২৪ রানে ৪ উইকেট
২/ জাসপ্রিত বুমরাহ (মুম্বাই) – ১৫ ইনিংসে ২৭ উইকেট, সেরা বোলিং ১৪ রানে ৪ উইকেট
৩/ ট্রেন্ট বোল্ট (মুম্বাই) – ১৫ ইনিংসে ২৫ উইকেট, সেরা বোলিং ১৮ রানে ৪ উইকেট
৪/ এনরিচ নর্টজে (দিল্লি) – ১৬ ইনিংসে ২২ উইকেট, সেরা বোলিং ৩৩ রানে ৩ উইকেট
৫/ ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল (ব্যাঙ্গালুরু) – ১৫ ইনিংসে ২১ উইকেট, সেরা বোলিং ১৮ রানে ৩ উইকেট

এছাড়া ২০ উইকেট করে নিয়েছেন আরও তিনজন বোলার। তারা হলেন হায়দরাবাদের রশিদ খান, রাজস্থানের জোফরা আর্চার এবং পাঞ্জাবের মোহাম্মদ শামি। উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো, এবারের আসরে ন্যুনতম ৫ উইকেট শিকারি ৪৪ জন বোলারের মধ্যে একমাত্র রশিদের ইকোনমি রেটই ছিল ছয়ের নিচে (৫.৩৭)।

আইপিএলের প্রতি আসরে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি

২০০৮ – সোহেল তানভীর (১১ ইনিংসে ২২ উইকেট)
২০০৯ – আরপি সিং (১৬ ইনিংসে ২৩ উইকেট)
২০১০ – প্রজ্ঞান ওঝা (১৬ ইনিংসে ২১ উইকেট)
২০১১ – লাসিথ মালিঙ্গা (১৬ ইনিংসে ২৮ উইকেট)
২০১২ – মরনে মরকেল (১৬ ইনিংসে ২৫ উইকেট)
২০১৩ – ডোয়াইন ব্রাভো (১৮ ইনিংসে ৩২ উইকেট)
২০১৪ – মোহিত শর্মা (১৬ ইনিংসে ২৩ উইকেট)
২০১৫ – ডোয়াইন ব্রাভো (১৬ ইনিংসে ২৬ উইকেট)
২০১৬ – ভুবনেশ্বর কুমার (১৭ ইনিংসে ২৩ উইকেট)
২০১৭ – ভুবনেশ্বর কুমার (১৪ ইনিংসে ২৬ উইকেট)
২০১৮ – অ্যান্ড্রু টাই (১৪ ইনিংসে ২৪ উইকেট)
২০১৯ – ইমরান তাহির (১৭ ইনিংসে ২৬ উইকেট)
২০২০ – কাগিসো রাবাদা (১৭ ইনিংসে ৩০ উইকেট)

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা