,

অবিরাম বৃষ্টিতে রংপুর নগরীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অচল

news-image

সোহেল রশীদ,রংপুর : অবিরাম বৃষ্টিতে রংপুর মহানগরীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়েছে। নগরীর অনেক সড়কে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর নিম্নাঞ্চল ও বর্ধিত এলাকাসহ কমপক্ষে ৩০টি পাড়া-মহল্লার সড়ক তলিয়ে গেছে। অনেকের বাসা-বাড়িতে পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।

এছাড়াও নগরীর গুরুত্বপুর্ণ সড়ক জাহাজ কোম্পানী থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে পানি জমে থাকছে। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যানবাহন চালকসহ পথচারীরা।রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১০ ঘণ্টায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার কাছনা হাজিপাড়া গ্রামে সরুষ আলী নামের শিক্ষার্থী ও গঙ্গাচড়া উপজেলার চর চিলাখাল গ্রামে মশিউর রহমান নামে এক কৃষক মারা গেছেন।

সরেজমিনে জানা গেছে, অবিরাম বৃষ্টির কারণে নগরীর মুলাটোল, কোতয়ালি থানা সংলগ্ন সড়ক, মুলাটোল, বাবুখা, নিউ জুম্মাপাড়া, আলমনগর, দর্শনা, কলেজপাড়া, হাবিব নগর, মর্ডান মোড় সংলগ্ন এলাকা, চকবাজার ঈদগাহপাড়া, মাহিগঞ্জ, খাসবাগ, বালাটারি, মনো গোপালসহ বিভিন্ন স্থানে রাস্তা হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও নগরীর বর্ধিত এলাকার তামপাট, হোসেন নগর, মেকুড়া, পানবাড়ি, মোগলেরবাগ, দমদমা, শেখপাড়া, বনগ্রাম, মানজাই, বড়বাড়ি , দামোদরপুর, উত্তম, কোবারু, চব্বিশ হাজারি, বাহার কাছনা, গুলার বুদাই, ময়নাকুটিসহ বিভিন্ন সড়কে পানি উঠেছে। প্রায় ৩০টির বেশী পাড়া-মহল্লা তলিয়ে গেছে। অনেক স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নগরবাসীর দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

নগরীর নিউ জুম্মাপাড়ার সাহেদ মিয়া ও মারজান বিবি জানান, এলাকায় বৃষ্টি হলেই রাস্তা হাঁটুপানিতে তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশনের কোনও উদ্যোগ নেই।
তামপাট হোসেন নগর এলাকার সোহেল ও নজরুলসহ বেশ কয়েকজন জানান, সিটি কর্পোরেশনের শের্ষপ্রান্তের গ্রাম হোসেন নগর। সকল ক্ষেত্রে অবহেলিত রয়েছেন তারা। সিটির কোন সূফল পাননি এখনকার মানুষ। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় হোসেন নগর বাজারসহ বগুড়াপাড়া, হিন্দুপাড়া, মাঠের পাড়া, মেকুড়া, বসুনিয়াপাড়া, নতুন মুসলিমপাড়াসহ আশে পাশের গ্রাম গুলোর সড়ক-বাড়িতে পানি জমে থাকে। প্রতি বন্যায় এমন চিত্র তাদের নিত্য সঙ্গি।

নগরীর কোতয়ালি থানা সংলগ্ন এলাকার মর্জিনা বেগম ও শাহাদত হোসেন। তারা জানান, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেই। এমনিতেই বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে পানি জমে থাকে, তার ওপর বৃষ্টি হলে হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা জানান, নগরীর সব সড়ক সংস্কার ও নতুন করে নির্মাণকাজ চলছে। আগামী দু মাসের মধ্যে আর কোনও জলাবদ্ধতা থাকবে না।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা