,

আপত্তির পরও দল নিবন্ধন আইনের খসড়ায় ইসির অনুমোদন

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘরে-বাইরে তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে খসড়ায় বেশ কিছু অনুশাসন দেওয়া হয়েছে। শুরুতে নারী নেতৃত্ব পূরণের শর্ত তুলে দেওয়ার কথা বলা হলেও অনুমোদিত খসড়ায় সময়সীমা ২০২৫ সাল করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বস্তরে ৩৩ ভাগ নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় নতুন খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি কার্যালয়ের সচিব মো. আলমগীর।

তিনি জানিয়েছেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ (আরপিও) থেকে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে স্বতন্ত্র আইন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বরাবরের মতোই ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেছেন, নিবন্ধিত দলগুলোর মতৈক্য ছাড়া ইসির এ সিদ্ধান্ত হঠকারী।

এ আইনের খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠিয়ে ইসি মতামত চেয়েছিল। ইসির ওয়েবসাইটে খসড়া প্রকাশ করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামতও চাওয়া হয়েছিল। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ইসির এই উদ্যোগের বিরোধিতা করে। তাদের পৃথক প্রতিনিধি দল ইসিতে গিয়ে বলেছে, আরপিও সংশোধনের কোনো প্রয়োজন তারা দেখছেন না এবং রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য স্বতন্ত্র আইনের প্রয়োজন আছে বলে তারা মনে করেন না।

মঙ্গলবারের বৈঠকের পর ইসির সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা তুলে ধরে ইসি সচিব আলমগীর বলেন, ১৯৭২ সালে প্রণীত মূল আরপিওতে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়টি ছিল না। ২০০৮ সালে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। তখনই পৃথক আইনের কথা উঠেছিল। কিন্তু সময়ের অভাবে তড়িঘড়ি করে দল নিবন্ধনের বিষয়টি আরপিওতে যুক্ত করা হয়। তিনি বলেন, বর্তমান কমিশন মনে করছে- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়টিতে আলাদা আইন থাকা উচিত। আইনের এই অংশটি আরপিও থেকে বের করে স্বতন্ত্র করা উচিত। তাছাড়া সরকারের একটি সিদ্ধান্ত আছে সব আইন বাংলা ভাষায় প্রণয়নের।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, বর্তমানে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু নিবন্ধনের বিষয়টি আরপিওতে থাকলে তা শুধু সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রযোজ্য হয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকের জন্য পৃথক আইনের প্রয়োজন পড়বে। আরপিও থেকে দল নিবন্ধনের অধ্যায়টি বের করে একটি স্বতন্ত্র আইন করলে কোনো সমস্যা হবে না।

আইনের খসড়ায় রাজনৈতিক দলসহ অন্যদের মতামত কতটা গ্রহণ করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব মো. আলমগীর বলেন, ১৭টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনসহ ৪১ প্রতিনিধির মতামত নেওয়া হয়েছে। এসব সুপারিশ কমিশন সভায় উত্থাপন করা হয়েছিল। এর মধ্যে কিছু কমিশন গ্রহণ করেছে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা