,

আইইডিসিআরের পরিচালকের নিয়োগ পেলেন তাহমিনা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার স্থলে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন। তিনি বর্তমানে একই প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। আগামী ২০ আগস্ট থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) হিসেবে (চলতি দায়িত্বে) নিয়োগ পান অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। আগামী ২০ আগস্ট থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সংক্রান্ত পদায়নের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন।

অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, এ পদায়নের ফলে তিনি অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনার স্থলাভিষিক্ত হবেন। আগামী ১৯ আগস্ট অতিরিক্ত মহাপরিচালকের পদ থেকে অবসরে যাচ্ছেন তিনি।

জানা গেছে, অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ২০১৬ সালে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান।

তবে তার অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদফতরসহ স্বাস্থ্য বিভাগে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সব ধরনের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে তাকে এই পদে পদায়ন করা হয়েছে। তারা বলেন, দি বিসিএস রিক্রুটমেন্ট রুলস ১৯৮১ এবং দি বিসিএস এক্সমিনেশন ফর প্রমোশন রুলস ১৯৮৬, এজ এমেনমেন্ড আপটু আগস্ট ১৯৯৯ অনুযায়ী কাউকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক হতে হলে তাকে অবশ্যই কমপক্ষে ১৮ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক, চিকিৎসা শিক্ষা জনশক্তি উন্নয়ন, প্রাইমারি হেলথ কেয়ার, রোগ নিয়ন্ত্রণ, কেন্দ্রীয় ঔষধাগার, আইপিএইচএন, আইপিএইচ, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- এ প্রতিষ্ঠানগুলো যেকোনো একটির পরিচালক হিসেবে কমপক্ষে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া মেডিকেল কলেজ, নিপসম, এনআইসিভিডি, আরআইএইচডি, এনআইও, আইডিসিএইচ অথবা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ বা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অথবা নিপসমের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পরিচালক হিসাবে নিপসম দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কিন্তু এর কোনটির অভিজ্ঞতা তার ছিল না।

অধিদফতরের সিনিয়র ও জুনিয়র একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, একজন কর্মকর্তা যিনি বিসিএস ক্যাডার অফিসার নন, একজন নন-ক্যাডার অফিসার হিসাবে কীভাবে অতিরিক্ত মহাপরিচালক হন? দি বিসিএস রিক্রুটমেন্ট রুলস ১৯৮১ অনুযায়ী যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

সংক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা বলেন, করোনার মতো মহামারী চলকালীন তিনি আইইডিসিআরের পরিচালক হিসেবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এর আগে তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব হেলথ সায়েন্সে যোগদান করেন। তার ফাইল নথিভুক্ত হলে তিনি পুনরায় অসাধুতার আশ্রয় নিয়ে সরকারি চাকরিতে পুনর্বহাল হন। সম্প্রতি তিনি সরকারি নিয়ম-নীতির বাইরে গিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরকে পাশ কাটিয়ে স্বল্পমেয়াদি প্রকল্পে নিয়োগপ্রাপ্ত অর্ধশত মেডিকেল টেকনোলজিস্টের চাকরি রাষ্ট্রীয়করণ করেন। সব মিলিয়ে এ নিয়োগে স্বাস্থ্য অধিদফতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা