,

করোনা ভেবে ১২ ঘণ্টা বাড়ির উঠানে ফেলে রাখা হলো মরদেহ

news-image

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বাড়ির উঠোনে পড়ে আছে মরদেহ। আশে পাশে নেই কেউ। এক বড় ভাই ছাড়া করোনা ভেবে পাশেও ঘেঁষেননি পরিবার-আত্মীয় স্বজন। এমনই ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের সাহেবপুর গ্রামের কালাবক্সের বাড়িতে।

বুধবার (৩ জুন) সকাল ৬ টার দিকে মৃত ছালেহ আহম্মদের মরদেহ দাফনে জন্য নিজ গ্রামে নিয়ে যান বড় ভাই নূর আহমদ।

দীর্ঘদিন কুয়েত প্রবাসী গত ২ বছর ধরে পরিবার নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে থাকেন। মঙ্গলবার রাতে মৃত্যুবরণ করার পর মরদেহ দাফন করতে ভাই আসলেও সাথে আসেননি স্ত্রী সন্তান। গ্রামে নিয়ে আসার পর করোনা রোগী ভেবে বাড়ির আশে পাশের লোকজনও ঘেঁষেননি পাশে।

সারাদিন ছালেহ আহমদের মরদেহ উঠানে চৌকিতে পড়ে থাকে। এমনকি গ্রামের লোকজন মরদেহ এ্যাম্বুল্যান্স থেকে নামাতেও বাঁধা দেয়। পরে ভাই নুর আহমদের অনুরোধে বিকাল পাঁচটার দিকে ‘শেষ বিদায়ের বন্ধু’ নামে উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদের সহায়তায় ছালেহ আহম্মদের মরদেহ দাফন করা হয়।

ওসমানপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মামুন চৌধুরী বলেন, মৃত সালেহ আহম্মদ দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে ছিলেন। তাছাড়া সপরিবারে চট্টগ্রামে থাকতেন। আজ সকালে তার ভাই নুর আহমদ মরদেহ নিয়ে গ্রামে আসেন। মরদেহ করোনা আক্রান্ত ভেবে কেউ কাছে আসেনি। কিন্তু উনি আসলেই করোনা আক্রান্ত কিনা তা জানতে পারিনি। পরে অবশ্য ‘শেষ বিদায় বন্ধু’ নামে এক সংগঠনের কর্মীরা দাফন কার্য সম্পন্ন করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা