,

১০ দিনে ৫০ হাজার মৃত্যু

news-image

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ বিশ্বজুড়ে কেড়ে নিয়েছে তিন লাখ মানুষের প্রাণ। গত ১১ জানুয়ারি চীনে এই ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এর চার মাসের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে। আর বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫ লাখ।

তবে ধীরে ধীরে হলেও বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর হারটা কমছে। মৃত্যুর সংখ্যা ১ লাখ থেকে দেড় লাখ পূর্ণ হয়েছিল মাত্র সাত দিনে। সেখান থেকে ২ লাখে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল আট দিন। ২ লাখ থেকে মৃত্যুর সংখ্যা আড়াই লাখ হয় ৯ দিনে, ৪ মে। এরপর মৃত্যু ৩ লাখ ছাড়াল গতকাল। অর্থাৎ এবার ১০ দিনে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

তবে সংক্রমণের হার কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। গত মাসের শুরুতে দৈনিক সংক্রমণের হার সেই যে ৮০ হাজার পেরিয়েছিল, এরপর থেকে একনাগাড়ে সেই ধারাই চলছে। কোনো দিন ২ হাজার কমে তো পরের দিন ৫ হাজার বাড়ে। সর্বশেষ গত বুধবারও রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮৮ হাজার ২৮০ জন।

চীনের উহানে গত ৩১ ডিসেম্বর মানুষের অজ্ঞাত কারণে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি শনাক্ত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিছুদিন পর চীনের বিজ্ঞানীরা জানান, নতুন এই ভাইরাস সার্স-করোনাভাইরাসের গোত্রের। গত ১১ জানুয়ারি করোনার সংক্রমণে প্রথম মৃত্যু দেখে বিশ্ব।

এই ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর পর ৫০ হাজার ছাড়াতে সময় লেগেছিল ৮২ দিন, ২ এপ্রিল। এর আট দিনের মধ্যে অর্থাৎ ১০ এপ্রিল মৃত্যুর সংখ্যা এক লাখ স্পর্শ করে।

পরিসংখ্যান সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, গতকাল বাংলাদেশ সময় সাড়ে ১০টা নাগাদ বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু ৩ লাখ ছাড়ায়। সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখ ৮০ হাজারের বেশি।

১৯৬৮ সালের হংকং ফ্লুর পর বিগত ৫০ বছরে করোনাই এখন সবচেয়ে প্রাণঘাতী মহামারি। হংকং ফ্লু কেড়ে নিয়েছিল ১০ লাখ মানুষের প্রাণ। ওই মহামারির পর এবং করোনার আগে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় মহামারি দেখা দিয়েছিল ১০ বছর আগে, ২০০৯-১০ সালে। ওই সময় সোয়াইন ফ্লুতে মারা যায় ২ লাখ মানুষ। তবে বিগত ১০০ বছরে সবচেয়ে বড় মহামারি ছিল ১৯১৮-১৯ সালের স্প্যানিশ ফ্লু। বৈশ্বিক এই মহামারিতে প্রাণ গিয়েছিল ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষের। এ ছাড়া ১৯৫৭-৫৮ সালের এশিয়ান ফ্লুতে মারা যায় ১১ লাখ মানুষ।

করোনা মহামারির সূত্রপাত চীনে হলেও এখন আর এই দেশটি সংক্রমিত শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে নেই। দেশটিতে গতকাল পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৯২৯। এর মধ্যে গতকাল শনাক্ত হয়েছেন ৩ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৩ জন। তবে গত কয়েক দিনের মধ্যে দেশটিতে একজনেরও মৃত্যু হয়নি।

চীনের বাইরে পর্যায়ক্রমে পরিস্থিতি খারাপ হয় ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে। আর এখন দ্রুত পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে রাশিয়া, ব্রাজিল, ভারতসহ কয়েকটি দেশে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে। দেশটিতে গত বুধবারও ১ হাজার ৭৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু ৮৫ হাজার ছাড়িয়েছে। রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৩০ হাজারের বেশি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সরকারি তথ্যমতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ২৮৩ জন। আর সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত ১৮ হাজার ৮৬৩ জন।

দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা