,

হাওরে পুরোদমে ধানকাটা শুরু

news-image

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হয়েছে। করোনার কারণে ধান কাটার শ্রমিক সঙ্কট দেখা দেবে এমনটাই আশঙ্কা ছিল কৃষক থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্টদের।

লকডাউনে অন্যান্য জেলা থেকে শ্রমিক আসতে না পারায় ধান কাটা নিয়ে চিন্তা এবং সেই সঙ্গে আগাম বন্যা বা পাহাড়ি ঢলের কবলে পড়ার শঙ্কাও ছিল হাওরবাসীর।

তবে সবকিছুকে পাশ কাটিয়ে সময়মতো ধান কাটতে পারছেন হাওরাঞ্চলের কৃষকরা।

জেলার হাওর এলাকায় এক ফসলি আবাদি জমি রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর। হাওরপাড়ে থাকা ৮০ হাজারেরও বেশি কৃষক বোরো আবাদ করেই জীবিকা চালান। তাদের একমাত্র ফসল হলো বৈশাখে ঘরে তোলা বোরো ফসল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনায় বোরো আবাদ হয়েছে এক লাখ ৮৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে এবার হাওর এলাকাতে আবাদ হয়েছে ৪০ হাজার ৮৬৫ হেক্টর জমি। ছোট-বড় মিলিয়ে ৮২টি হাওর নিয়ে ৪০৮ বর্গকিলোমিটারের হাওরাঞ্চল।

জেলার মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি ছাড়াও কলমাকান্দা ও আটপাড়ার উপজেলার একাংশ রয়েছে হাওরাঞ্চল নামে খ্যাত।

মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওর ঘুরে জানা যায়, করোনায় নিরাপত্তার বিষয়কে মাথায় রেখেই কিছু শ্রমিক অন্য জেলা থেকে এসছে। সেই সাথে স্থানীয়রা মিলেই ধান কাটা শুরু করে দিয়েছেন। এ কাজে গতি আনতে কয়েকটি ধান কাটার মেশিনও মাঠে নেমেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, আবহাওয়ার অবস্থা স্বাভাবিক থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যে ধান কাটা শেষ হয়ে যাবে।

হাওর পাড়ে দেখা হয় পাশের উপজেলা আটপাড়া থেকে ধান কাটতে আসা দুজন শ্রমিকের সাথে।

হাতে কাঁচি আর কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ঘুরছেন। তাদের মধ্যে কাদের নামের একজন জানান, এখানে দল বেঁধে ধান কাটে। দুইজন আসছি তাই কোথাও কাজের সুযোগ পাচ্ছি না। আর শ্রমিকেরও অভাব নেই। চেষ্টা করতেছি খড় শুকানোর কাজেও যদি কেউ রাখে তাই করবো।

মল্লিকপুর এলাকার কৃষক লাল মিয়া জানান, করোনার কারণে এবার আমরা ধান কাটার শ্রমিক পাব না এমনটাই ভয় ছিল। কারণ প্রতিবারই আমাদের এলাকায় অন্য জেলা থেকে ধান কাটার শ্রমিক এসেই ধান কাটে। তবে সব ভয় কাটিয়ে কিছু শ্রমিক আসছে আর রৌদ্রজ্জ্বল দিন থাকায় স্থানীয় শ্রমিকও পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে নিজেরা ধান কাটছি। এবার ধানের ফলন ভালো হয়েছে। আশা করছি ভালোভাবেই ফসল ঘরে তুলতে পারবো।

মোহনগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল জানান, এবার মোহনগঞ্জের হাওর এলাকায় ৬৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। ধান উৎপাদন ৩৭শ মেট্রিকটন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বাম্পার ফলনের ফলে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। প্রথমে শ্রমিক সঙ্কটের শঙ্কা থাকলেও গার্মেন্টস ফেরত কর্মী ও অটোরিকশার শ্রমিকরা ধান কাটায় অংশ নিচ্ছে ফলে শ্রমিক সঙ্কট নেই। পাশাপশি ধান কাটার মেশিন তো রয়েছেই।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা