,

ত্রাণ নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না, বললেন প্রধানমন্ত্রী

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক :  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সহযোগিতা যেন সবাই সমানভাবে পায় তা দেখতে হবে। এ জন্য তালিকা তৈরি করে ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করতে হবে। এই কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।

মঙ্গলবার সকালে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম সমন্বয় করতে ৬৪টি জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সকাল ১০টায় এ ভিডিও কনফারেন্স শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সেটা কেবল বাংলাদেশে নয়। সমগ্র পৃথিবী জুড়ে এই সমস্যাটা রয়েছে। এখানে ধনী-দরিদ্র, দুর্বল কিংবা শক্তিশালী দেশ, উন্নত বা অনুন্নত সবাই এই পরিস্থিতির শিকার। এমন পরিস্থিতি বোধ হয় আমরা জাতীয় জীবনে আর কখনো দেখিনি।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সারাবিশ্ব স্থবির হয়ে গেছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে গেছে। বিরাট আকারে একটা বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে। সেই মন্দা মোকাবিলার চিন্তা এখন থেকেই আমাদের করতে হবে, পরিকল্পনা নিতে হবে। আমাদের একটা সুবিধা হলো, আমাদের দেশের মাটি অনেক উর্বর। আমাদের মাটিও আছে মানুষও আছে।

জাতির পিতার একটি উদ্ধৃতি স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সে সময় সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করেছিল, এমন বিধ্বস্ত দেশ, ৮২ ভাগেরও বেশি দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে, কীভাবে করবেন? তিনি বলেছিলেন, আমার দেশের মাটি আছে-মানুষ আছে। আমি মাটি ও মানুষকে নিয়েই দেশকে গড়ে তুলবো। আমাদেরও সেই একই কথা।

ফসল ফলানোর যেসব উপকরণ প্রয়োজন তা সরবরাহের জন্য কৃষিমন্ত্রী ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে উৎপাদিত কৃষি পণ্য বা শিল্প কারখানায় উৎপাদিত পণ্য সরবরাহ বজায় রাখার কথা বলেন তিনি।

সাধারণ ছুটি বাড়ানোর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের ছুটিটা একটু বাড়াতে হবে। আমরা ১০ থেকে ১২ দিনের ছুটি দিয়েছিলাম, এটা ১৪ দিন হতে পারে। সেটা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সীমিত আকারে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে।

নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, নববর্ষের অনুষ্ঠান আমরাই শুরু করেছিলাম। কিন্তু তাও আমাদের বন্ধ রাখতে হচ্ছে। মানুষের কল্যাণেই এ অনুষ্ঠান না করার অনুরোধ আপনাদের।

করোনা মোকাবিলায় সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো জনগণকে সচেতন করা। সেটা আমরা করতে পারলেও তিন মাসে আমরা এই অবস্থা ধরে রাখতে পেরেছি। সবাই নিজেদের জায়গা থেকে যার যার দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই এটা পেরেছি। আমরা বিমানবন্দর, নৌ-বন্দর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেছি। থার্মাল স্ক্যানারসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা