,

কোরআন-হাদিসের আলোকে করোনার ব্যাখ্যা দিলেল আজহারী

news-image

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক : বিশ্ব কাঁপছে করোনাভাইরাস আতঙ্কে। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। এ পরিস্থিতিতে গণসচেতনামূলক একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ও গবেষক মিজানুর রহমান আজহারী। এ ব্যাপারে কোরআন-হাদিসের আলোকে তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে ‘জলে-স্থলে যত দুর্যোগ, বিপর্যয় এবং মহামারী ধেয়ে আসছে- এগুলো আমাদের হাতের কামাই, এগুলো আমাদের উপার্জিত, আমাদের পাপের ফসল।’

তিনি বলেন, আমরা যদি নাফরমানি ছেড়ে দিয়ে এক আল্লাহর এবাদতে মগ্ন হতাম শরীয়ার নিয়ম-কানুন ইসলামকে যদি আমরা সেই অর্থে পালন করতাম তাহলে এই আযাব, এই গজব আমাদের ওপর আসতো না।

দ্বিতীয় যে কারণটি রয়েছে তা সুনানে ইবনে মাজাহ-এর একটি হাদিস বর্ণনা করলে আপনারা বুঝতে পারবেন। সেখানে মহানবী (সা.) বলেছেন, কোন সমাজে যখন অশ্লীলতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তখন আল্লাহ তা’য়ালা ওই সমাজে মহামারী পাঠান, প্লেগ পাঠান। তিন নং কারণ হচ্ছে আল্লাহ তা’য়ালা মাঝে মাঝে পরীক্ষা করার জন্য এই সমস্ত মহামরী পাঠান যে, কে ধৈর্যধারণ করতে পারলো, কে ঈমানহারা হলো না, কে ঈমানের পথে অবিচল থাকতে পারলো, এগুলো দেখার জন্য। সহীহ মুসলিমের একটি বর্ণনায় পাওয়া যায়, মাঝে মাঝে আযাব হিসেবেও আল্লাহ তা’য়ালা এই মহামারী পাঠান।

এরপর এ ধরণের দুর্যোগ বা মহামারীর আরও একটি বিশেষ কারণ হচ্ছে এটি কেয়ামতে একটি আলামতও হতে পারে। আমরা কিছু হাদিসেও এরকম পেয়েছি যে, রাসূল (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের আগ দিয়ে পৃথিবীব্যাপী এমন ভয়ঙ্কর এক মহামারী ঘটবে।

কেয়ামতের যে ছোট ছোট আলামতগুলো আছে তার একটা হলো এরকম ভয়ঙ্কর মহামারী বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে যাবে।

বর্তমানে মালয়েশিয়া অবস্থানরত এই ইসলামি বক্তা বলেন, সহীহ বুখারীর এক বর্ণনায় আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন যে, কেয়ামতের আগে ৬টি জিনিস ঘটবেই ঘটবে। এই ৬টি বিষয় পৃথিবীব্যাপী না ঘটলে কেয়ামত সংঘটিত হবে না। তোমরা হাতে গুনে রাখো- এই ৬টি বিষয়ের অন্যতম একটি হলো মহামারী। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ছাগলের পালের মধ্যে যেমনি মহামারী ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি মানবমন্ডলীর মধ্যেও এই ভয়ঙ্কর মহামারী ছড়িয়ে পড়বে।

আজহারী বলেন, একটা ভয়ঙ্কর সময় আমরা পার করছি, বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক। ভীত সন্ত্রস্ত, মানুষের মধ্যে হাহাকার। এই যে করোনা ভাইরাসের আক্রমণ, এই যে মাঝে মাঝে পৃথিবীতে মহামারিতে প্রাণনাশ ঘটে। এরকম ক্রাইসিস মোমেন্টে আমাদের কি করা উচিত? এ সমস্ত ক্ষেত্রে শারীয়ার কি গাইডলাইন? এই মহামারীতে ইসলাম আমাদের কি দিকনির্দেশনা দেয়? আল্লাহর রাসুল (সা.) পক্ষ থেকে কোন গাইডলাইন আছে কিনা? এক্ষেত্রে আল্লাহর রাসুল (সা.) এর বিখ্যাত গাইডলাইন আমরা জানি যে, কোন এলাকার লোকজন যদি মহামারী আক্রান্ত হন, তবে আল্লাহর রাসুল (সা.) ওই এলাকায় যেতে নিষেধ করেছেন।

আবার যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদেরকে সেখান থেকে বের হতে নিষেধ করেছেন। এখানে সেফটি সিরিকিউরিটির ব্যাপারে এই কালজয়ী দিকনির্দেশনা দিয়েছেন রাসুল (সা.)। এখন আমরা এই গাইডলাইন ফলো করতে দেখছি বিশ্বব্যাপী।

ভিডিওতে তিনি এ মহামারী থেকে পরিত্রান পাওয়ার উপায়ও বলেছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা