,

হারুনের মৃত্যুদণ্ড : সায়মার মা-বাবার সন্তোষ

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ওয়ারীতে সিলভারডেল স্কুলের নার্সারির ছাত্রী সামিয়া আফরিন সায়মাকে ধর্ষণের পর খুনের দায়ে এই মামলার একমাত্র আসামি হারুন-অর-রশীদকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক কাজী আবদুল হান্নান এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় নিহত সায়মার মা-বাবা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তাঁরা। একইসঙ্গে আসামির মৃত্যুদণ্ড যাতে দ্রুত কার্যকর হয়, সেই ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান তাঁরা।

সায়মার মা সানজিদা আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়েকে হারুণ খুন করেছে। তার ফাঁসির দণ্ড দেওয়ায় আমি খুশি। তবে রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয় সেই দাবি জানাই।’ তিনি বলেন, এভাবে কোনো নরপশু যাতে অন্য কোনো মা-বাবার কোল খালি করতে না পারে সেই ব্যবস্থা যেন নেওয়া হয়।

সায়মার বাবা আবদুস সালাম বলেন, ‘হারুনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে আমরা খুশি। এখন এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অপেক্ষায় থাকবো। যাতে দ্রুত কার্যকর হয় সেই ব্যবস্থা যেন নেওয়া হয়।’

গতবছর ৫ জুলাই সন্ধ্যার পর ওয়ারীর একটি বাড়ির নয় তলায় শিশু সায়মার লাশ পাওয়া যায়। ওই বাড়ির ষষ্ঠ তলায় সায়মা তার পরিবারের সঙ্গে থাকতো। লাশ পাওয়ার আগে সে তার মাকে ওপরের তলায় খেলতে যাচ্ছিল বলে জানায়। কিন্তু সে ফিরে না আসায় তার খোঁজ করতে করতে নবম তলায় তার গলায় রশি পেঁচানো অবস্থা পাওয়া যায়।

ওই ঘটনায় সায়মার বাবা আবদুস সালাম বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় মামলা করেন। পুলিশ গত বছর ৭ জুলাই কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকা থেকে হারুন অর রশিদকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন হারুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে সায়মাকে হত্যার দায় স্বীকার করেন।

তিনি জবানবন্দিতে বলেন, এক মাস আগে থেকে তার খালাত ভাই পারভেজের বাসায় ছিলেন। ওয়ারীতে যে ভবনে ঘটনা ওই ভবনের সাততলায় পারভেজ থাকেন। ঘটনার আগে ভবনের লিফট দিয়ে নামার সময় সায়মার সঙ্গে তার দেখা হয়। লিফটইে তিনি সায়মার সঙ্গে খারাপ কাজ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। পরে ছাদ দেখার কথা বলে তিনি সায়মাকে ছাদে নিয়ে যান। ছাদে নিয়ে সায়মাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। কিন্তু সায়মা চিৎকার করতে থাকে। এরপর মুখ চেপে ধরে সায়মাকে ধর্ষণ করেন তিনি।

ধর্ষণের একপর্যায়ে সায়মা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। তখন হারুন ভয় পান। সায়মার জ্ঞান ফিরলে সে মানুষের কাছে ঘটনা বলে দেবে। এ কারণে যাতে ঘটনা প্রকাশ না পায় সেজন্য তার গলায় দড়ি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয় তাকে। পরে সায়মাকে টেনে নিয়ে রান্না ঘরের সিংকের নিচে ফেলা হয়। এরপর পালিয়ে যান হারুন।

এ মামলায় সায়মার বাবা, মা, ভাই-বোন, প্রতিবেশী, সায়মার ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক, আসামির জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৪ জন সাক্ষ্য দেন।

এ জাতীয় আরও খবর

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে আইনজীবী আবুল বাশার

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড