মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে পৃথক দু’টি অগ্নিকা-ে ৭০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়

news-image

রংপুর ব্যুরো : রংপুরে নাজিরদিঘর ও মমিনপুরে পৃথক দু’টি অগ্নিকা-ের ঘটনায় ১৪টি বাড়ি ও ১১টি দোকান ভূষ্মিভুত হয়েছে। এতে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্তরা বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

গ্রামবাসি ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর নাজির দিঘরে ৩১নং ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর যুব সংহতির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আহসান হাবীব আনছারের মালিকানাধীন গফুর মার্কেটের একটি দোকানে কয়েলের আগুন থেকে অগ্নি কা-ের সূত্রপাত হয়। পরে একে একে রবিউলের মুদি দোকান, জালালের কাপড়ের দোকান, কাজলের ইলেক্ট্রনিক্স দোকান, বাতাসুর হোটেল, আরিফুলের সেলুন, রেজাউলের গালামালের দোকানসহ ১১টি দোকান ও ১টি বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। তবে এরই মধ্যে বাড়ির নগদ অর্থ, কাপড়, মুদি দোকানের মালামাল, বাড়ির আসবাবপত্রসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল পূড়ে যায়। অগ্নিকা-ের পরেই মহানগর যুবসংহতির সভাপতি শাহিন হোসেন জাকির, সাধারণ সম্পাদক শান্তি কাদেরী, তাজহাট থানার ওসি শেখ রোকনুজ্জামান, স্থানীয় কাউন্সিলর সামসুল হক, নারী কাউন্সিলর নাজমুন নাহার নাজমা, সাবেক কাউন্সিলর আখতারুজ্জামান ভুট্টু ঘটনাস্থল পরিরদর্শন করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত জাতীয় পার্টির নেতা আহসান হাবীব আনছার বলেন, এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তার বাড়ির ৭টি টিন সেড পাকা রুম, গোয়াল ঘর ও পার্শ্ববর্তী মার্কেটের ১১টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে। সেখান থেকে কোন প্রকার মালামাল বা আসবাবপত্র উদ্ধার কার যায়নি। তিনি আরও জানান, তাঁর ঘরে গচ্ছিত ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকাসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।অন্যদিকে রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ফরিয়া পাড়ায় অগ্নিকান্ডে ১৩ টি পরিবারের টিনশেড ঘর, গবাদি পশু, ঘরের আসবাবপত্র ও নগদ লক্ষাধিক টাকা পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় গ্রামবাসী রাসেদুল ইসলাম ,আলমগীর ও কাদের মিয়া বলেন, শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন একে একে ১৩টি পরিবারের সব বাড়ি-ঘর, আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়। এমনি আগুনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি গরু-ছাগলও। তাদের ধারণা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়। বর্তমানে ১৩টি পরিবারের ২০জন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

এদিকে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দ এনামুল কবীর ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে শুকনা খাবার, কম্বল, শাড়ি-লুঙ্গী ও নগদ অর্থ প্রদান করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খুরশিদ আলম বলেন, সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। তবে এই অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

সেই ‘কালো দুপুরের’ এক বছর আজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৩ জনের মৃত্যু

দিল্লিতে ককরোচ পার্টি-পুলিশ সংঘর্ষ : ১১৮ পুলিশ আহত, ৭০ ‘ককরোচ’ গ্রেপ্তার

মোজাফফরের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার উদ্যোগ

রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ, আটকা ৬ ট্রেন

২০২৭ সালের হজে সরকারি দুই প্যাকেজ ঘোষণা

ইএফডি অটোমেশনেও ভ্যাট ফাঁকি, হারাচ্ছে হাজার কোটি টাকা

আ. লীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি নাহিদের

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আইন-বিধি নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

আজ ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

কোটা রায় বাতিলের দিন সংঘর্ষে আরও ১৯ প্রাণহানি

রাজকীয় সংবর্ধনায় দেশে ফিরল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন