,

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি ও বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

news-image

নিউজ ডেস্ক : ভৈরবে দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ে ষ্টেশন টিকিট কাউন্টারে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ পাওয়া গেছে। টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বরত বুকিং ক্লার্করা যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদিন সকালে বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের এক সাথে অন্তত ১ সপ্তাহের আগাম টিকিট উত্তোলন করে নিজেদের জিম্মায় রেখে টিকিটের সংকট দেখিয়ে যাত্রীদের কাছে চড়ামূল্যে বিক্রি করে প্রতিমাসে গ্রাহকদের কাছ থেকে অবৈধ উপায়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে জানা যায়, ভৈরব রেলওয়ে টিকিট কাউন্টারে সোহাগ মিয়া, দিদার, বিপ্লজিত,শফিকুল ও ইমরানসহ ৬ জন কাউন্টারে দীর্ঘদিন ধরে বুকিং ক্লার্কেও দায়িত্ব পালন করছেন। আর এসব দায়িত্বরত বুকিং ক্লার্করা ঢাকা, চট্রগ্রাম, সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রীদের হয়রানি ও জিম্মি করে অবৈধ ভাবে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

যাত্রীরা টিকিট কাউন্টারে টিকিট কিনতে গেলে আসন নেই বলে যাত্রীদেরকে হয়রারি করা হয়। কিন্ত যাত্রীরা যদি আসনসহ টিকিটের জন্য অনুনয় বিননয় করে তাহলে কাউন্টারের বুকিং ক্লার্করা তখন বলেন একটু ঘোরে আসেন দেখি ম্যানেজ করা যায় কি না। তবে তার জন্য বাড়তি টাকা দিতে হবে। এভাবে যাত্রীদের জিম্মি করে দ্বিগুন টাকা আদায় করা হয়। আবার কাউন্টারে প্রতিটি ষ্ট্যান্ডিং টিকিটে ও সর্বনিম্ন ১০/২০ টাকা করে প্রতিটি যাত্রীদের কাছ থেকে এভাবে প্রতিদিন অন্তত কয়েক হাজার টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিচ্ছে।

ভৈরব রেলওয়ে ষ্টেশন সূত্রে জানা যায়, ভৈরব থেকে প্রতিদিন ঢাকা-চট্রগ্রাম-সিলেট ও কিশোরগঞ্জ রেলপথে মহানগর গৌধুলী, মহানগর প্রভাতি, তূণা নিশিতা, উপবন, পারাবত, কালনী, এগারো সিন্ধু, বিজয় এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, চট্রলাসহ অন্তত ১২টি ট্রেন আপ-ডাউন করে। ভৈরব থেকে ঢাকা, চট্রগ্রাম, সিলেট ও কিশোরগঞ্জে যাত্রীদের জন্য আসন বরাদ্ধ রয়েছে প্রায় ৩শ ৪০টি। অথচ আসনের বিপরীতে যাত্রীদের টিকিট চাহিদা রয়েছে অন্তত ৪/৫ হাজার। কিন্ত চাহিদার তুলনায় যাত্রীদের জন্য ট্রেনের আসন বরাদ্ধ না থাকায় বাধ্য হয়ে একটু আরামে ভ্রমনের জন্য চড়াদামে টিকিট কিনতে হচ্ছে। আর এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বুকিং ক্লার্করা প্রতিমাসে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে তাতারকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মো. কামাল মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, টিকিটের জন্য কাউন্টারে গিয়ে আসনসহ টিকিট পাননি। পরে বাধ্য হয়ে ২শ ১০ টাকা মূল্যের ২টি কালনী ট্রেনের টিকিট কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার জসিমের কাছ থেকে ৪শ টাকা দিয়ে কিনছেন।
সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করতে দেখে সিএনএইচের কম্পিউটার টেশনিশিয়ান জসিম তার ভুল হয়ে গেছে তিনি আর এ কাজ করবেন না বলে তখন সাংবাদিকদেরকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন ।

চট্রগ্রামগামী সারোয়ার মিয়া, ঢাকাগামী শিমুলকান্দি ইউনিয়নের কান্দিপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, টিকিট কাউন্টারে গেলে টিকিট পাওয়া যায় না। আবার অন্যভাবে কাকুতি মিনতি করলে একটু পরে আসেন দেখি ম্যানেজ করা যায় কি না। পরে যোগাযোগ করলে অতিরিক্ত টাকা দিলে কাউন্টার থেকেই টিকিট পাওয়া যায়।

এছাড়াও অনেক যাত্রীরা সাংবাদিকদেরকে দেখে এগিয়ে এসে অভিযোগ করে বলেন, ষ্ট্যান্ডিং টিকিট কিনলেও ১০/২০ টাকা বেশি নিচ্ছে কাউন্টারে।

এ বিষয়ে ভৈরব রেলওয়ে ষ্টেশন মাষ্টার এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন, কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে আইনজীবী আবুল বাশার

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান