শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফাকা মাঠেই শেষ হলো ডিজিটাল মেলা তথ্য-তালাশে ক্ষিপ্ত সহকারী কমিশনার

Digital Mela-1আমিরজাদা চৌধুরী : আয়োজন ব্যাপক। মাঠ জুড়ে ষ্টল। মঞ্চও সার্বক্ষনিক প্রস্তুত। কিন্তু যাদের জন্যে আয়োজন তাদেরই দেখা মিলেনি। ৩ দিনব্যাপী ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা শেষ হয়েছে একেবারে ফাকা মাঠে ।   রোববার স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে ৩ দিন ব্যাপী এই মেলার উদ্ধোধন করেন শিক্ষা সচিব মো: নজরুল ইসলাম খান। ঐ অনুষ্ঠানের সময়টুকুতেই ভরপুর ছিলো মেলা প্রাঙ্গন। এরপর এই ৩ দিনের সকাল- সন্ধ্যায় সর্ব সাকুল্যে ১৫/২০ জনের বেশী মানুষ দেখা যায়নি। বিশাল বাজেটের এই মেলা দর্শনার্থী শূন্য হওয়ায় কোন ফল বয়ে আনেনি। ফাকে ফাকে সরকারী কর্মকর্তারা এসে মেলা ঘুরে গেছেন শুধু। মেলার দ্বিতীয় দিনে (সোমবার)  দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে মেলার বিভিন্ন ষ্টল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার। তার সঙ্গে ছিলেন অধীনস্ত আরো কয়েকজন। সে সময় মেলা চত্বরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন এখানে অনেক ভালো ভালো জিনিস আছে। একটি ষ্টলে দেখলাম তারা এফ এম রেডিও দিয়ে ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত মেলার বিষয়ে ধারাভাষ্য দিচ্ছে। এটি একটি নতুন প্রযুক্তি। অন লাইনে পুলিশের কি কি সেবা রয়েছে তাও দেখানো হচ্ছে এখানে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে জমির পরচা ডেলিভারী দেয়া হচ্ছে। কোন কৃষক এসে যদি এখানে জমির শ্রেনী,পরিমান,জমি কেমন,জমিতে কি ফসল চাষ করা হয়েছে তা বলে দেন তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই বলে দেয়া হচ্ছে ঐ জমিতে কি পরিমান সার লাগবে। এতো ভালো আয়োজনে মানুষ নেই কেন এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন কই মেলা কি এখন ফাকা মনে হচ্ছে। আমরা স্কুলে স্কুলে সিডিউল করে দিয়েছি, তারা আসছে। আমিতো এখানে মাদ্রাসার ছাত্রদেরও দেখলাম। আসলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। আমরা সেটিই করছি। আজ না হোক কাল আসবে।  বাচ্চাদের নিয়ে তাদের অভিভাবকদের মেলায় আসতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা শেষ হতেই এক সিনিয়র সাংবাদিকের এগিয়ে আসেন একজন। জানতে চান এক  প্রতিবেদকের পরিচয়। পরিচয় দিয়ে আপনি কে ভাই বলে তার পরিচয় জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তিনি। বলেন- ‘স্যারদের ভাই-আপা বলা যায়না’।

Digital Mela-2সাংবাদিকতা করেন এই শিক্ষা পাননি? এসব কথা বলার আগে সে মোবাইল ফোনের রেকর্ডটি বন্ধ করতে বলে। আচমকা তার এই উদ্বত্যপূর্ন আচরণে আশপাশের লোকজনও হতভম্ব হয়ে পড়ে। পরে খোজ নিয়ে জানা গেছে তিনি জেলা কালেকটরিয়েটের একজন সহকারী কমিশনার। নাম হুমায়ুন কবির। তার শ্বশুর বাড়িও  ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরেই । অথচ এর আগে সাংবাদিকের সঙ্গে এডিসি’র কথা বলার পুরো সময় ধরেই এডিসি’র পাশে দাড়িয়ে উচ্চস্বরে ফোনে কথা বলে যাচ্ছিলেন এই সহকারী কমিশনার।মেলায় মোট ৩০টি ষ্টল খোলা হয় । যার মধ্যে রয়েছে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ই-সেবা কেন্দ্র,জেলা পুলিশ,সিভিল সার্জন কার্যালয়,এলজিইডি,গনপূর্ত বিভাগ,তথ্য অফিস,নির্বাচন অফিস ইত্যাদি। আজ মঙ্গলবার মেলার শেষদিনেও ছিলো একই অবস্থা। এমনকি কোন ষ্টলে লোকও ছিলোনা। মেলায় কম্পিউটার যন্ত্রাংশের দোকান কম্পিটার স্কুলের সিরাজ মিয়া বলেন- ৩ দিনে তার বিক্রি হয়েছে মাত্র ১ হাজার টাকা।  


 

 

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা