,

জনবল সংকটে ব্যাহত সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতালের কার্যক্রম

news-image

রংপুর ব্যুরো : চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে নীলফামারির সৈয়দপুরে অবস্থিত ফাইলেরিয়া হাসপাতালের কার্যক্রম। ৬ বছর ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অন্যদিকে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের কয়েক জেলার মানুষ।

ফাইলেরিয়া বা গোদ আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ অস্বাভাবিক মোটা হয়ে যায়। ধীরে ধীরে পঙ্গু হয়ে যায় অনেকে। মশার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ মানুষেও এই রোগ সংক্রমিত হয়। উত্তরের জেলাগুলোতে আক্রান্ত ও জীবাণু বহনকারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।

এমন অবস্থায় ১৯৯৫ সালে জাপান সরকারের অর্থায়নে ডা. মোয়াজ্জেম হোসেনের উদ্যোগে সৈয়দপুরের প্রতিষ্ঠিত হয় ফাইলেরিয়া হাসপাতাল। পরে তা ৫০ শয্যার উন্নীত হয়। তখন ৫ চিকিৎসকসহ লোকবল ছিল ১৫ জন।

২০১৩ সালে ডা. মোয়াজ্জেম দায়িত্ব ছাড়লে বন্ধ হয়ে যায় বিদেশী অনুদান। এখন একজন চিকিৎসক, একজন নার্সসহ ৫ জন দিয়ে চলছে কার্যক্রম। তাদের পক্ষে প্রতিদিন গড়ে ৫০ রোগীকে চিকিৎসা দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য ব্যবহার করছে একটি চক্র। এতে কমছে সেবার মান।

স্বাস্থ্যবিভাগ বলছে, হাসপাতালটির সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সুপারিশ করা হবে। প্রতিষ্ঠানের কেউ স্বার্থবিরোধী কাজে জড়িত থাকলে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

এরই মধ্যে ফাইলেরিয়া হাসপাতাল থেকে সেবা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন অনেকে।

এ জাতীয় আরও খবর

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে আইনজীবী আবুল বাশার

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান