,

আসমার লাশের ইজ্জত যারা রক্ষা করেছেন, আল্লাহ তাঁদের ভালো রাখুক

news-image

আরিফুল ইসলাম সুমন, সরাইল : অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ওসি সাহাদাত হোসেন টিটো’র মানবতায় ও হস্তক্ষেপে আসমা আক্তারের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেলেন তার বাবা-মা।আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় পুলিশ হেফাজতে থাকা আসমার মরদেহ সরাইল থানা কমপ্লেক্স থেকে বুঝে নেন বাবা দেওয়ান আলী ও মাতা রহিমা বেগম। এসময় নিহতের বাবা ও মা ওসি সাহাদাত হোসেন টিটো’র জন্য প্রাণভরে দোয়া করেন। রহিমা বেগম জানান, ওসি স্যারের মানবতায় আমার মেয়ের লাশ কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই ফিরে পেলাম।আসমার লাশের ইজ্জত যারা রক্ষা করেছেন, আল্লাহ তাঁদের ভালো রাখুক।

সরাইল থানা পুলিশ জানিয়েছে, আসমা আত্মহত্যা করেছিল। সে অবিবাহিত, তাই বাবা ও মা হলেন তার বৈধ অভিভাবক। তাদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে অফিসার ইনচার্জ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আসমার লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেন।

জানা যায়, বুধবার (২০ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে পুলিশ আসমার লাশ উদ্ধার করে। সে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের দেওয়ান আলীর মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন যাবত সিলেটে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করে। সে প্রবাস থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির সুমন জানান, আসমা কিছুদিন আগে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছে। দেশে ফেরার পর বোন আনোয়ারার শ্বশুর বাড়ি কালীকচ্ছে বেড়াতে আসে আসমা। বুধবার সন্ধ্যার পর দুই বোন বের হয় এলাকার দোকানে যেতে। কিন্তু আসমা অর্ধেক পথ যাওয়ার পর বাসায় ফিরে আসে। আনোয়ারা বাড়িতে ফিরে দেখেন আসমা ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলানো। পরে তাকে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসমাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই খবর জেনে আসমার বোন আনোয়ারা ভয়ে হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে আসে। হাসপাতাল থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

ইউপি সদস্য ধন মিয়া ও হুমায়ুন কবির সুমন সহ ভুক্তভোগী পরিবারের একাধিক সদস্য জানান, আসমার মৃত্যুর খবরে তার মা-বাবা সিলেট থেকে আসেন। কোনো অভিযোগ না থাকাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর কথামতো বুধবার রাতে আমরা লিখিত আবেদন তৈরি করবো, এমন সময় ডেকে পাঠিয়ে এসআই মনজুর আহমেদ জানান, ওসি এই লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া দিতে পারবে না। কারণ লাশের মালিক এখন আমি। আপনারা আমার সঙ্গে কথা বলেননি, তাই এই লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া কোনোভাবেই দেওয়া যাবে না। এমন কথায় একেবারে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শোকাহত পরিবারটি। পরে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকের সহযোগিতায় ও মানবতার সেবক ওসি সাহাদাত হোসেন টিটো’র হস্তক্ষেপে আসমার লাশ অক্ষত ফেরত পায় তার পরিবার।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা