,

আর কোন পরিবার ভিটেমাটি হারা হবেনা, কৃতজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীকে

news-image

আরিফুর ইসলাম সুমন, সরাইল : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউপির মেঘনা নদী তীরবর্তী রাজাপুর, কাকরিয়া, সিঙ্গাপুর ও চর কাকরিয়া এই চার গ্রামের অন্তত ১৫ হাজার মানুষ নদী ভাঙনের কবলে পড়ে কাহিল অবস্থায় ছিলেন দীর্ঘ বছর। বিশেষ করে রাজাপুর গ্রামের প্রায় দুইশতাধিক পরিবার বিগত ৪৫ বছরে এখানে নদী ভাঙনের কবলে পড়ে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে পাশ্ববর্তী চর কাকরিয়া ও সিঙ্গাপুর গ্রামে গিয়ে তারা নতুনভাবে বসতি গড়েন।

বর্তমানে এখানে ৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দে নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ হচ্ছে। এতে রাজাপুর, কাকরিয়া, সিঙ্গাপুর ও চর কাকরিয়া এই চার গ্রামের মানুষদের মাঝে ঈদের আনন্দ বইছে। পাশাপাশি এই বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগের পেছনে স্থানীয় মহাজোটের সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা ও অরুয়াইল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাকিম এর অবদান স্বীকার করে গ্রামবাসী জানান, মূলত তাঁদের পরিশ্রমেই সরকার আমাদের দীর্ঘ বছরের দূর্ভোগ লাঘবে এখানে নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করছেন। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান গ্রামবাসী।

বুধবার এক সাক্ষাতকারে সাবেক সাংসদ জিয়াউল হক মৃধা এ প্রতিবেদককে বলেন, মেঘনা নদী তীরবর্তী রাজাপুর-কাকরিয়া গ্রামসহ আজবপুর ও পানিশ্বর এলাকায় নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে আমি একাধিবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখার পাশাপাশি ‘ডিও লেটার’ (আধা সরকারি পত্র) দিয়েছিলাম। তাছাড়া অরুয়াইল এলাকায় চেত্রা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, সরাইল-আজবপুর সড়ক, মলাইশ-শাহজাদাপুর সড়ক ও সরাইল-পানিশ্বর সড়ক নির্মাণ করতে প্রয়োজনীয় সকল কর্মকাÐ আমার আমলেই করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের পর এসব উন্নয়ন পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে। তিনি বলেন, রাজাপুর এলাকায় এ বাঁধ নির্মাণ হওয়ার পর ‘আর কোন পরিবার ভিটেমাটি হারা হবেনা। এ বাঁধের অর্থ বরাদ্দের জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাকিম বলেন, এ বাঁধ নির্মাণ করাতে বিগত ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ চালিয়ে গেছি। তৎকালীন সাংসদ জিয়াউল হক মৃধা ডিও লেটার সহ এ বাঁধ নির্মাণে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। আবদুল হাকিম বলেন, আমার বাপ-দাদার ভিটেমাটি এখানে নদী গর্ভে তলিয়ে গেছে। আর কোন পরিবার যেন ভিটেমাটি ছাড়া না হয়, এর জন্যেই আমার এই শ্রম।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস এ প্রতিবেদককে বলেন, সরাইলের রাজাপুর এলাকায় ৩৯ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২০০ মিটার দৈর্ঘ্য নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শুরু করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এ বাঁধের কাজ তিন স্তরে বাস্তবায়ন হবে। এ কাজের প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের টেন্ডার পেয়েছে ঢাকার মেসার্স ডলি কনস্ট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা