,

শ্যাম চন্দ্র দাস হত্যার বিচার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে পুলিশের বাধা

news-image

মাদারীপুর প্রতিনিধি : মস্তফাপুরে শ্যাম চন্দ্র দাসের হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে পুলিশের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে -সমকাল

মাদারীপুরের মস্তফাপুরে শ্যাম চন্দ্র দাস হত্যার বিচার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার সকাল ১১টায় মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ।

জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় শ্যাম চন্দ্র দাস নামে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় সকালে মাদারীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে বিচার দাবিতে নিহতের স্বজনরা মানববন্ধন করতে এলে জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ মানববন্ধনের ব্যানার কেড়ে নেয়। এছাড়াও মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের পুলিশ মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিহত শ্যাম চন্দ্র দাসের মা মিনা দাস বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশ বাধা দিয়েছে। আমাদের মারধর করেছে। আমার ছেলেকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ মূল আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশের এই জুলুম কেন বুঝতে পারছি না।’

তবে মানববন্ধনে বাধা দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা বলেন, কাউকে কিছু না জানিয়ে হাজার খানেক লোক জড়ো হয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। পরে তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে মানববন্ধন করতে দেওয়া হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে আইনজীবী আবুল বাশার

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান