,

বিএনপিকে জামায়াত ছাড়ার পরামর্শ ইউরোপীয় ইউনিয়নের

images3

অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গতকাল তাদের পার্লামেন্টে বাংলাদেশ নিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করে।বিরোধী দল দমনের পথ থেকে সরকারকে সরে আসতে বলার পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলাম থেকে দূরে থাকতে বিএনপিকে আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।



বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এক প্রস্তাবে বাংলাদেশে বিবাদমান দুই পক্ষকে সমঝোতায় এসে সঙ্কট সমাধানের আহ্বানও জানানো হয়েছে।



এক্ষেত্রে সম্ভাব্য সব কিছু এমনকি আগাম নির্বাচনের বিষয়েও ভাবতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা।



বাংলাদেশে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সব পক্ষকে সমঝোতার তাগিদ দিতে আলোচনার পর এই প্রস্তাব গৃহীত হয়।



দশম সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মতদ্বন্দ্বে সংঘাত–সহিংসতার মধ্যে চার্লস ট্যানক, পাওয়েল রবার্ট কোয়ালের তোলা এই প্রস্তাবের ওপর এদিন ইউরোপীয় পার্লামেন্টে আলোচনা হয়।



এর আগে গত ৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটেও একই ধরনের একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়, যাতে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সংলাপ শুরুর আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।



বিএনপিবিহীন দশম সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে আওয়ামী লীগ এরই মধ্যে টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করেছে।  অন্যদিকে বিএনপি এই ভোট বাতিল চেয়ে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে।



আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিএনপি যদি জামায়াতের সঙ্গ এবং ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি ছাড়ে তাহলে সংলাপে সমঝোতা হলে মধ্যবর্তী নির্বাচন দেয়া হবে।



 

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আহ্বানেও একই সুর পাওয়া গেল। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষেও অবস্থান জানিয়েছে তারা।

দুই প্রধান দলের রাজনৈতিক সমঝোতা না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থে দুই পক্ষকে এক হতে হবে এবং এটা খুবই জরুরি, যাতে বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হয়।

“এক্ষেত্রে সব রাজনৈতিক দল সম্মত হলে আগাম নির্বাচনসহ সব বিষয়ই বিবেচনা করা যায়।”

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলার সংস্কৃতি বিনির্মাণেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।

সরকারকে বিরোধী দল দমনের পথ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাবে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত শক্তিপ্রয়োগ বন্ধ করতে হবে, বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি দিতে হবে, সাম্প্রতিক সহিংসতায় হতাহতের বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।

প্রস্তাবে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রশংসা করে বলা হয়, সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তারা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্যাতিতদের ক্ষত প্রশমনে ট্রাইব্যুনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।





 

এ জাতীয় আরও খবর

‘ভায়োলেন্স’ থেকে সরে দাঁড়ানো বড় শিক্ষা:অধরা খান

হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিকে ২৪০ রানে অলআউট আফগানিস্তান

চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে দুর্নীতিচক্র: সাইফুল হক

জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১৬২

এমপি নজরুলের জামিন আবেদন ফের নাকচ

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি, আয়াসসহ চারজন রিমান্ডে

দিল্লিতে ফের আটক শিক্ষার্থী নেত্রী নেহা বোরা

সমাজসেবায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন

ত্রিশালে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে সমীক্ষা

জনগণের অর্থ ব্যয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর