,

হাইকোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

a2761bb41e8295bf40101ba67bf48733-Suprime-courtমুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আজ বুধবার হাইকোর্ট এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের করা দুটি আপিলের ওপর আজ রায় দেবেন। সকাল নয়টায় আদালত বসার কথা। 
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে প্রকাশিত আপিল বিভাগের আজকের কার্যতালিকার ১ নম্বর ক্রমিকে এ রায় ঘোষণার জন্য রাখা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলা আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হতে যাচ্ছে।
আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৬ এপ্রিল আপিল বিভাগ রায় অপেক্ষমাণ রাখেন। এর ঠিক পাঁচ মাসের মাথায় এ রায় হতে যাচ্ছে।
রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে হাইকোর্ট চত্বরের নিরাপত্তায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। আদালতের প্রতিটি প্রবেশপথে বাড়তি নিরাপত্তা লক্ষ করা গেছে। র‌্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক রয়েছেন। আদালতে আগতদের পরিচয় নিশ্চিত ও তল্লাশি করা হচ্ছে। 
হাইকোর্টের দিকে যেতে বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। 
এর পাশাপাশি সম্ভাব্য সহিংসতা ও যেকোনো ধরনের অপরাধ ঠেকাতে পুলিশ সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, রাজধানী ও রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে আছেন।
পিরোজপুর, বগুড়াসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে বিচারিক আদালতের রায় ঘোষণার পর ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে-এমন এলাকার তালিকা করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। 
কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, কোনোমতেই যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। 
রায়ের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায় জামায়াত-শিবির। সহিংসতায় প্রথম তিন দিনেই ৭০ জন নিহত হন।
যোগাযোগ করা হলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ট্রাইব্যুনালের রায়ে সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এই দণ্ড বহাল থাকবে। 
সাঈদীর আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেছেন, ‘আমরা রায়ের জন্য অপেক্ষা করছি। সর্বোচ্চ আদালতের ন্যায়বিচারের প্রতি আমরা আস্থাবান ও শ্রদ্ধাশীল।’
২০১০ সালের ২৯ জুন সাঈদী গ্রেপ্তার হন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে। পরে ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর