,

নির্বাচনে জনগনের বিজয়!

Ele-3অবশেষে জনগনই সরকারি দল ও বিএনপিকে জবাব দিলো। তারা স্বতস্ফুর্তভাবে ভোট দিতে যায়নি। এই কারণে সকাল আটটা থেকে ভোট হলেও বিকেল চারটা পর্যন্ত চোখে পড়ার মতো ভোটার ছিলনা বেশিরভাগ কেন্দ্রে। কোন কোন কেন্দ্রে একটি ভোট পড়ারও নজির রয়েছে। নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যক ভোটার ভোট দিতে যাবেন, কিন্তু তারা না গিয়ে সরকারকে বুঝিয়ে দিয়েছে তারা এই নির্বাচন চায় না এবং মানে না। এই নির্বাচনে তারা ভোট দিবে না এবং সরকারকেও সমর্থন দিবেন না। এটা সরকারের বিরুদ্ধে জনগনের বিজয়!

ভোটারদের কয়েকজন বলেছেন, তারা একতরফা নির্বাচন মানেননি এই জন্য ভোট কেন্দ্রে যাননি। অন্য দিকে সরকার নির্বাচন করছে বলে এটাকে তারা মেনে না নিলেও বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করতে বলেছে বলে তাদের পক্ষে তারা ভোট প্রতিহতও করেনি। কোথাও সাধারণ জনগন ভোট দানে ভোটারদের বিরত থাকতে বলেনি। বিএনপির কিছু স্থানীয় নেতা, জামায়াত ও শিবির কোন কোন এলাকায় ভোটও প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও পারেনি। তারা বিএনপির নির্বাচন বর্জনকে খুব ভাল ভাবে নিয়েছে কিংবা বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করতে বলেছেন বলেই বেশির ভাগ ভোটার ভোট প্রদান করেনি ও প্রতিহত কোনটাই করলেন না এমন নয়। তারা নিরাপত্তাহীনতাকেও বড় মনে করেছে। এছাড়াও জনগন দুই নেত্রীর এই জেদাজেদির আর শিকার হতে চান না। তারা চান সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। ইতোমধ্যে ভোটের ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। আজ কিংবা কাল নির্বাচন কমিশন বলতে পারে যে কত শতাংশ ভোট পরেছে। তবে ভোটের মাধ্যমে এটাই প্রমাণ হয়েছে জনগন চাইলে অনেক কিছুই করতে পারে। সব সময় সরব থেকেই তারা কাজ করবেন এমন নয় নীরবেই তারা বুঝিয়ে দিলের জনগনের শক্তিই বড় শক্তি। তারা চাইলেই ভোটের ফল অনেকটাই বদলে দিতে পারেন।

সরকারের পরিকল্পনা ও প্রতিজ্ঞা ছিল আওয়ামী লীগ নির্বাচন করবেই। জনগনকে ভোট দিতে সব রকম নিরাপত্তা দেবে এমন নিশ্চয়তা দিয়েও উলে¬খযোগ্য সংখ্যক ভোটারকে ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেনি। সরকারের তরফ থেকে চেষ্টা থাকলেও সাফল্য তেমন ভাবে আসেনি। কারণ সরকারি দলের নেতা কর্মীরা ও সরকার মনে করেছিল তারা তেমন কোনো উদ্যোগ না নিলেও ভাল ভোট পাবেন। কিন্তু তাদের সেই ধারণা মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে। এদিকে ভোটারদের অনেকেই বলেছেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে ভোটাররা অনেকেই ভোট দিতে যাননি। অন্য দিকে বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দিলেও আজও নেতারা মাঠে ছিলেন না। তারা মাঠে না থাকায় আতঙ্কে ভোটাররা নির্বাচনে ভোট দিতে না গেলেও এর কৃতিত্ব বিএনপি নেয়ার চেষ্টা করেছে। এই জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার গোপন আস্তানা থেকে বিৃবতিও দিয়েছিলেন। এই ভোটে ভোটার না থাকার কারণে ও ভোট দিতে না যাওয়ার কারণে বিএনপি সফল হয়েছে। তাদের ডাকে সারা দিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছে এই কৃতিত্ব তারা নিতে চেষ্টা করেছেন। তবে ভোটাররা সেই কৃতিত্ব এককভাবে বিএনপিকে দিতে রাজি নয় তারা মূলত সরকারের এক তরফা নির্বাচনে ভোট দিতে না যাওয়ার মূল কারণ নিরাপত্তা। বিএনপির ভোটাররা ছাড়া অন্য ভোটারদের তারা কেউ জীবনের ঝুঁকি নিতে চায়নি। এখন তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপরও ভরসা রাখতে পারেনি। প্রায় সাড়ে চার লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে থাকলেও সেখানে ভোটারদের মধ্যে কোন নিরাপত্তা ছিল না। এই কারণে ভোটাররা অভিযোগ করে বলেছেন সরকারি দল বলেছে ভোট দিতে যেতে, তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এটাও বলেছে। কিন্তু এ নির্বাচনে আমরা যেতে পারিনি। সরকার নিরাপত্তা দিলেও ভোট কেন্দ্র থেকে ফিরে আসার নিশ্চয়তা নেই। কেউ গুলি করতে পারে। বোমা মারতে পারে। পেট্রোল বোমাও মারতে পারে। এছাড়াও আরো নানা ধরনের আশঙ্কায় অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে সেখানে যাননি। বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য মারমুখী হতে পারে এটাও ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা না যাওয়ারও একটি কারণ। দুই দলের কোন দলের প্রতি বেশিরভাগ সাধারণ ভোটার আস্থা রাখতে পারেননি। বিএনপির ভোটাররা ইচ্ছে করেই ভোটকেন্দ্রে যাননি। তারা নির্বাচনে ভোট দিতে যাওয়ার কোন কারণও ছিল না। বিএনপির ভোটার বাদ দিলেও কমপক্ষে ২৫ শতাংশ ভোটার ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার কথা। কিন্তু ওই পরিমাণ ভোটার ভোট কেন্দ্রে গেছেন কিনা এনিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ বেশিরভাগ এলাকায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোট কেন্দ্র খালি ছিল। বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ভোটার ছিলই না। বেলা ১ টার পর কিছু ভোটারের ভোট পরেছে। তবে এবার নির্বাচনে ১৫৩ টি আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি ১৪৭ টি আসনে ভোট হচ্ছে। এরমধ্যে ১৪৮টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হলেও পরে আবার দশটি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হয়। ওই সব স্থগিত কেন্দ্রের যেগুলোর মধ্যে ভোট গ্রহণ করা দরকার তা ২৪ জানুয়ারীর মধ্যে করা হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে এই ভোট দিতে গিয়ে অনেক ভোটার ভোট দিতে পারেননি বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারা অভিযোগ করেছেন ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নম্বর অনুযায়ী ভোট দেয়া যায়নি। এই কার্ডটি ১৩ ডিজিটের হলেও ভোর তালিকায় নাম রয়েছে ১২ ডিজিটের কারণে সেখানে আইডি কার্ডের সঙ্গে কার্ডের নম্বর মেলেনি। এতে করে কেউে কেউ ফিরে গেছেন।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম থাকার কারণে কোন কোন কেন্দ্র প্রার্থীদের পক্ষে সরকারি দলের সমর্থকরা ভূয়া ভোটারদরকে এনে লাইনে দাঁড় করান। ঢাকায়ও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ভোট প্রতিহত করতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে এই পর্যন্ত ২১ জনের প্রানহাণি ঘটেছে। এরমধ্যে জামায়াত ও শিবির কর্মী বেশি। পুলিশও রয়েছে। এই নির্বাচনে বিএনপি না থাকার পরও স্বতন্ত্র সাত প্রার্থী নির্বাচন বয়কট করেছে সরকারী দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে। তাদের কয়েকজন নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ দেন। এদিকে নির্বাচনে উলে¬খযোগ্য সংখক ভোটার না থাকলেও প্রস্তুতির কোন কম ছিল না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে ছিল সতর্ক বিএনপির নেতারা মাঠে নেই। আওয়ামী লীগ নেতারাও তেমন মাঠে ছিলেন না। অন্য দিকে জাতীয় পার্টির নেতারাও মাঠে ছিলেন না। এই কারণে পুরো প্রস্তুতি থাকলেও সরকারকে নির্বাচন করার জন্য কোনো বেগ পেতে হয়নি। তবে ভোটার উপস্থিতি না থাকায় সরকারি দল হতাশ। তারা অনেক চেষ্টাও করেও ভোটার নিতে না পারায় এটা তাদের জন্য ভাল ফল বয়ে আনবে না। সূত্র জানায়, সরকারের মধ্যে আগে থেকেই আশঙ্কা ছিল তারা নির্বাচন করলে ভোটাররা সারা দিবেন না। এই কারণে তারা কোন ঝুঁকি নিতে চায়নি। এই জন্য কৌশল করেই আগেই সমঝোতা করে ১৫৩ আসনে নিজেরাই জয়ী হয়।

এদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের হরতাল,অবরোধ ও ভোট বর্জনের ঘোষণার ফলে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ১৪৭ টি আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক থাকায় কেন্দ্রতে উপস্থিতি ছিল কম। সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হলেও সোয়া আটটার দিকে কেন্দ্রে তেমন কোনো ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায়নি। কেন্দ্রের সামনে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা,কর্মীদের দেখা যায়নি। বিএনপিও ছিল না।

এদিকে দুপুরের পর নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদ বলেছেন, এ মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না। ভোট দেওয়ার হার সারা দিনে কমবে, বাড়বে। দিন শেষে বলতে পারব কতগুলো কেন্দ্রে ভোট নেওয়া একেবারেই সম্ভব হয়নি। কতগুলো কেন্দ্রে ভোট নেওয়া সম্ভব হয়েছে। রোববার বেলা আড়াইটার দিকে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এই সব কথা বলেন সিইসি। তিনি রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখেন। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চারটার সময় ভোট শেষ হবে। তারপর গণনা করা হবে। সে সময় আপনারা থাকতে পারেন। তখনই আমরা আন অফিশিয়ালি বলতে পারব কত ভোট গণনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রের ব্যাপারে যতগুলো অভিযোগ আসছে তা আমলে নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সিইসি দাবি করেন, যার ভোট নেই তিনি কোনোভাবেই ভোট দিতে পারবেন না। ভোট কারচুপির কোনো আশঙ্কা নেই।

সহিংসতার বিষয়ে সিইসি বলেন, কয়েকটি কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে। যেসব কেন্দ্র বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, সেগুলোতে ভোট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে সেটা আবার চালু হবে। যেসব ভোটকেন্দ্রে ক্ষয়ক্ষতি কম, সেগুলোতে ভোট গ্রহন আবার শুরু হয়েছে। আমরা ভোটার তালিকার ব্যাপারে প্রেস রিলিজ দিয়েছি। ভোটার আইডি, ভোটার নম্বর ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর। ভোটার যদি তালিকার ক্রমিক নম্বর জানাতে পারেন, তাহলে খুঁজে বের করা সহজ হয়।

নির্বাচন কমিশনার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-৭ আসনের বেগম বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে যান। দেড়টার দিকে সেখানে যান। ভোটার দেখতে না পেলে এসময় ভোট গ্রহণ সম্পর্কে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলেও তিনি কোনো কথা বলেননি। কোনো কথা না বলে সেখান থেকে চলে যান তিনি।

এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যলট পেপাড় ছিনতাই হয়েছে। এরমধ্যে কুষ্টিয়া-১ আসনের তারাগুনিয়া সরকারি বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র ও আল¬ার দরগা কেন্দ্র থেকে দুইটার দিকে তিন হাজার ১০০টি ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়। ভোটপূর্ণ দুটি ব্যালট বাক্সও রয়েছে। আল¬ার দরগা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ কয়েকজন দুর্বৃত্ত ভোটকেন্দ্রে থাকা কর্মকর্তাদের মারধর করে ৫০০ ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

চট্রগ্রাম-১১ আসনের দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা ১১ টা পর্যন্ত সব বুথে নির্বাচনী কর্মকর্তারা ছাড়া আর কোনো ভোটারের উপস্থিতি ছিল না। গ্রীণ ভিউ মডেল হাইস্কুলে ভোটার চার হাজার ৭’শ ৬৬ ভোটারের মধ্যেও এই সময়ের মধ্যে মাত্র একটি ভোট পড়ে। চট্টগ্রাম-৯ আসনেও ভোট শুরুর পর প্রথম তিন-চার ঘণ্টায় ভোট পড়েছে একটি বা দুটি।

সব মিলিয়ে যে ভাবে ভোট হলো এতে আর কারো বিজয় হোক বা না হোক জনগনের বিজয় হয়েছে। কারণ জনগণ প্রমাণ করে দিয়েছে তারা এক তরফা নির্বাচন চায় না। তারা গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন চায়। সেটা না হওয়াতে তারা ভোট দিতে আগ্রহী নয়। এদিকে এই নির্বাচনে ভোটার তেমন না যাওয়ায় এনিয়ে বিদেশি শক্তিগুলোও সহসাই অভিযোগ তুলবে যে এই নির্বাচন তাদের মতো জনগনও বর্জন করেছে। তাদের কথাই সত্য প্রমানিত হয়েছে যে জনগন এমন নির্বাচন চায় না।

সূত্র জানায়, নির্বাচনে সরকার ভোটার উপস্থিত করার বিষয়ে সাফল্য দেখাতে না পারলেও বিএনপি যাতে এটা নিয়ে আন্দোলন করতে না পারে সেই জন্য কঠোর হাতে বিএনপির সব ধরনের আন্দোলন কর্মসূচী প্রতিহত করবে। আর বিএনপিও চেষ্টা করছে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করার। তারা ইতিমধ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার ভোট ৬টা থেকে বুধবার ভোর ৬টা পর্যšত্ম সারাদেশে ৪৮ ঘন্টার হরতাল কর্মসূচী ঘোষণা করেছে। এর পাশাপাশি অবরোধ কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর