,

সেনা নেমেছে সারাদেশে

Armiনির্বাচন কমিশনের চাহিদা মোতাবেক বৃহস্পতিবার সারাদেশে সেনাবাহিনী নেমেছে। নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন সেনাসদস্যরা।

সূত্র জানায়, সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবে। রিটার্নিং অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন কাজে সেনা সদস্যরা সহায়তা করবেন। সেনাবাহিনীর সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোটকক্ষে সেনা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন না।   

শীতকালীন মহড়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন জেলার মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বেশ ক’দিন ধরেই এমনিতেই অবস্থান নিয়ে ছিল সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সারাদেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন হলেও বুধবার সন্ধ্যা থেকে সেনাবহর বিভিন্ন সেনানিবাস থেকে জেলাগুলোর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। সংশ্লিষ্ট সেনানিবাস থেকে রওয়ানা হয়ে রাতে জেলাগুলোতে পৌঁছে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই প্রস্তুত রয়েছে সেনাবাহিনী।

প্রত্যেক জেলায় ৮০০ সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবেন। দায়িত্বে থাকবেন একজন লে. কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা। সেনা সদস্যরা জেলা সদরে ক্যাম্প স্থাপন করে অবস্থান করবেন। নির্বাচনের দিন উপজেলাগুলোতে থাকবে দুই থেকে তিন প্লাটুন (প্রতি প্লাটুনে ৩৫ জন) সেনা।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলের পাশাপাশি সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ থেকে একটি সমন্বয় সেল কার্যকর থাকবে।

নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী ২৬ ডিসেম্বর থেকে টানা ১৫ দিন সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে। আগামী ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতেই সেনাবাহিনী কাজ করবে।

গত ২০ ডিসেম্বর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ২৬ ডিসেম্বর থেকে সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেন।

নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে পাঁচ লাখ সদস্য ও সশস্ত্রবাহিনীর ৫০ হাজার সদস্য মিলিয়ে প্রায় ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে এজন্য একটি সেল গঠন করা হবে।

সেনা, পুলিশ, আনসার, বিজিবি, কোস্ট গার্ডের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার একজন করে প্রতিনিধি এই সেলে থাকবেন। তারা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় সমন্বয়, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজের সমন্বয় করবেন।
 
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অতীতের যে কোনো নির্বাচনের তুলনায় এবার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা বেশি সময় মাঠে অবস্থান করবেন। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনে তিন থেকে পাঁচ দিন আগে সেনা মোতায়েন করা হতো। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী নামানো হয়েছিল।

২০০৮ সালের নির্বাচনের কিছুদিন আগে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের পর সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যায়। এরপর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১২ দিনের জন্য সেনা মোতায়েন করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর