,

এখনো সাদ্দামের বেঁচে থাকা কী করে সম্ভব!

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :এটা কী করে সম্ভব যে, ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এখনো বেঁচে আছেন! সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় ২০০৬ সালে। এরপরও অ্যাপল কেন এ ভুল করছে তা অনেকেরই বোধগম্য নয়।

1-apple

শারাকাত হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ভেবে ভুল করেছে অ্যাপল। শুধু তাই নয়, এ ভুলে তার কেনা আইফোনের টাকাও ফেরত দিতে অস্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টাকা ফেরত পেতে হলে তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তিনি ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন না।

এই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে ব্রিটেনের বার্মিংহামে। অথচ ২০০৬ সালে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়।

ব্রিটেনের প্রভাবশালী পত্রিকা ডেইলি সান থেকে জানা গেছে, শারাকাত নামের এই ব্যক্তি তার বোনকে উপহার দেওয়ার জন্য অ্যাপলের শোরুম থেকে একটি আইফোন কিনেছিলেন। কিন্তু তার বোন আইফোনটি নিতে রাজি না হওয়ায় তিনি ফোনটি অ্যাপলকে ফেরত দিয়ে টাকা ফেরতে চেয়েছেন। তিনি ফোন নিয়ে অ্যাপলের শোরুমে যোগাযোগ করলে তার ফোনটি রেখে বাকি টাকা ফেরত নিতে চান। তাকে জানানো হয়, এটা যেহেতু দামি ফোন তাই ফেরত হিসেবে তাকে ক্যাশ টাকা দেওয়া হবে না। তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে শারাকাতকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন শোরুমের লোকজন।

সাদ্দাম হোসেনটাকার জন্য অ্যাপলের শোরুমে যোগাযোগ করেও তা ফেরত পাননি শারাকাত হোসেন।

এদিকে তিনি টাকার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। কয়েক সপ্তাহ হয়ে গেলেও টাকা অ্যাকাউন্টে যোগ না হলে শারাকাত চিন্তায় পড়ে যান। অবশেষে আবার তিনি অ্যাপলের শোরুমে যোগাযোগ করেন। তখন এক কর্মকর্তা তাকে জানান, চিন্তার কোনো কারণ নেই তিনি তার টাকা পেয়ে যাবেন। এবং একথা বলে আবার তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

এর কিছুদিন পর তার ইমেইলে একটি মেইল আসে। মেইলে বলা হয়, অ্যাপল মনে করছে, তিনি ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন। আর সাদ্দাম হোসেনের নামও ব্রিটেন সরকারের নিষিদ্ধ তালিকায় রাখা আছে। অর্থ্যাৎ এই তালিকায় নাম থাকলে তার কাছে কোনো মালামাল বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয়। এবং এই তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের সাথে কোনো ধরনের লেনদেন করা যাবে না।

আর তাই তাকে টাকাও ফেরত দেওয়া হবে না। আর তিনি যদি টাকা ফেরত নিতেই চান তাহলে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন না।

এ অবস্থায় ‍খুব চিন্তার মধ্যে পড়ে যান শারাকাত। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো টাকা ফেরত পাননি তিনি।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি হয় ২০০৬ সালে। আর তার নামের সাথে শাহাকাত হোসেনের নামের বানানেরও পার্থক্য রয়েছে। এরপরও অ্যাপল কেনো এই ভুল করলো সে বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া যাচ্ছে না। আর এদিকে কয়েক সপ্তাহ পার হলেও অ্যাপল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধান করেনি।

শারাকাত হোসেন ডেইলি সানকে বলেন, ‘প্রথমে আমি ভেবেছিলাম ইমেইলটি একটি স্পাম। পরে দেখি সেটি স্পাম না; অরিজিনাল মেইল। কিন্তু অ্যাপল কেনো আমাকে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের সাথে গুলিয়ে ফেলছে তা আমার মাথায় ঢুকছে না। বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই হতাশ।’

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা