সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একজিমার সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে…

25811-boroস্বাস্থ্য ডেস্ক : যদি আপনি একজিমায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনার খাবার-দাবারের প্রতি একটু বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ কিছু খাবার আছে যেগুলো একজিমার সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলে। একজিমার সমস্যায় কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে হবে জেনে নিই চলুন।

১। দুগ্ধজাত খাবার:-
বাণিজ্যিকভাবে উৎপন্ন দুগ্ধজাত খাবার যেমন- পাস্তুরিত দুধ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কারণ এগুলো একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া অপাস্তুরিত দুধের প্রোটিন ক্যাসেইন এর প্রতি সংবেদনশীলদের একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

২। সয়া পণ্য:-
সয়া পণ্য যেমন- সয়া দুধ, টফু ইত্যাদি একজিমার সাথে সম্পর্কিত। আপনার সয়া পণ্যে অ্যালার্জি আছে কিনা তা পরীক্ষা করে বলে দিতে পারবেন ডারমাটোলজিস্ট।

৩। গ্লুটেন:-
গম, রাই শস্য ও বার্লিতে গ্লুটেন থাকে। যারা ইতিমধ্যেই একজিমার সমস্যায় ভুগছেন তাদের সমস্যা আরো বৃদ্ধি করে। তাই একজিমার সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের গ্লুটেনমুক্ত খাদ্যশস্য খাওয়া উচিৎ।

৪। এসিডিক খাদ্য:-
যদি এসিডিক খাবারের ক্ষেত্রে আপনি তেমন সংবেদনশীল নাও হন কিন্তু আপনার ত্বকে যদি প্রদাহ হয় তাহলে এসিডিক ফল যেমন- সাইট্রাস ফল, আনারস, স্ট্রবেরি এবং টমেটো একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি করে।

৫। ডিম:-
অনেক মানুষের ক্ষেত্রেই ডিম একজিমার সমস্যাকে বৃদ্ধি করে। যেহেতু বেক করা খাবারের প্রধান অংশ হচ্ছে ডিম তাই বেকারি পণ্য এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

৬। বাদাম:-
চিনাবাদাম, আখরোট, কাজুবাদাম ইত্যাদি গাছবাদামগুলো একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি করে। যাদের একজিমার সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে বাদাম খাওয়া এড়িয়ে যেতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা