,

‘রাতারাতি পর্নো তারকার ভাবমূর্তি যাবে না’-বললেন সানি লিয়ন

112311_sunny-leone-522a114aeb34d_exlstবলিউডে বেশ বড় জায়গা করে নিয়েছেন সাবেক পর্নো তারকা সানি লিয়ন। তার পক্ষে-বিপক্ষে সমর্থন-সমালোচনার কোন শেষ নেই। পর্নো দুনিয়া ছেড়ে তিনি বলিউডে স্থান করে নিলেও রাতারাতি তার সেই পর্নো ভাবমূর্তি কেটে যাবে না। সম্প্রতি তিনি রগরগে যৌনতা সমৃদ্ধ ছবি ‘মাস্তিজাদে’তে অভিনয় করেছেন। তার সহশিল্পী বীর দাস। এ ছবির পরিচালক মিলান জাভেরি। এ ছবিতে অভিনয়, বিভিন্ন পছন্দ, অপছন্দ নিয়ে কথা বলেছেন তারা। শনিবার ভারতের একটি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে তাদের সাক্ষাতকার প্রকাশিত হয়। এখানে তা তুলে ধরা হলো:

প্রশ্ন: একজন টিভি সাংবাদিক যৌনতা নিয়ে আপনাকে অবমাননা করার চেষ্টা করায় বিভিন্ন মহল থেকে আপনার ব্যাপক সমর্থন এসেছে।
সানি লিয়ন: আমি ১৫ বছর ধরে সাক্ষাতকার দিচ্ছি। তাতে কখনো এত অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা হয় নি। এমন অস্বস্তিতে ভোগার মতো ঘটনা খুবই কম। বছরের পর বছর ধরে আমি নিজেকে এমন সব বাঁকা প্রশ্নের জন্য তৈরি করেছি। যখন কেউ প্রথম বিনোদন জগতে প্রবেশ করেন তখন তিনি জানেন না কিভাবে কথা বলতে হবে। কিন্তু এখন আমি এ বিষয়ে প্রশিক্ষিত। কারণ, ভুল থেকেই তো শিক্ষা নিতে হয়। এটা এক ধরনের পরিশোধন।

প্রশ্ন: ‘মাস্তিজাদে’তে কাজ করতে যেয়ে সবচেয়ে অস্বস্তিকর কি ছিল, বীর?
বীর: ওরলি সি-ফেসে বিকাল সাড়ে চারটায় নগ্ন হয়ে দৌড়াতে হয়েছে। আমার চরিত্রটি হলো একটি বাড়ি থেকে নগ্ন হয়ে বের হওয়া। এ অবস্থায় রাস্তায় দৌড়াতে হয়েছে। তা দেখেছে সন্ন্যাসীনি, হকার ও একদল লোক। এমন অভিনয় আমি আর করতে চাই না। এটা ছিল ভীতিকর একটি বিষয়। যারা আমাকে ওই অবস্থায় দেখেছে তারাও ভীতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রশ্ন: সানি, পরিচালক মিলাপ জাভেরির দিক থেকে কোন বিষয়টি আপনার জন্য অস্বস্তিকর ছিল ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো?
সানি: আমি মনে করি পুরো স্ক্রিপ্টই।
বীর: দ্বিতীয় অংশ।
সানি: আমার কাছে প্রথম অংশ সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিকর মনে হয়েছে। আমার জন্য দুটি অস্বস্তিকর দৃশ্য আছে। এটা করার আগে আমার মনকে ঠিক করতে হয়েছে। মনিটরে যখন দেখেছি তখন মনে হয়েছে আমি এটা করেছি। আমার মনে হয়েছেÑ হায় আমি এটা করেছি? কিন্তু এটাতো চরিত্রের একটি অংশ, যেটাতে অনেক বছর আগে আমি হ্যাঁ বলেছি।

প্রশ্ন: এটা কেমন বিষয় ছিল সে সম্পর্কে কিছু বলবেন কি?
সানি: ভাল কথা। না, তা বলবো না। কারণ, এখনও আমি বিব্রত।

প্রশ্ন: ছবিটির উপাদানের দিক দিয়ে সেন্সর বোর্ডের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা ছিল?
বীর: আমার মনে হয় মিলাপ জাভেরি জানতেন যে, কিছু অংশ কেটে দেয়া হবে। তাই আমরা শতকরা ১৫০ ভাগ শুটিং করেছি যাতে কেটেকুটে শতকরা ১০০ ভাগ টিকে থাকে। অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কিছু সময় লেগেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা আমাদের প্রতি সুবিচার করেছেন। আমাদের মূল কাহিনী অবিকৃত আছে।
সানি: হ্যাঁ, প্রাপ্ত বয়স্কদের কমেডিতে কাহিনী থাকে (হাসি)।

প্রশ্ন: সেন্সর বোর্ড শালীনতাবোধের বিষয়টি হয়তো দেখেছেন। তারা এ ছবিটি নিয়ে কেমন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেছেন বলে আপনার মনে হয়?
বীর: ভাল বিষয় হলো, তারা একটি ছবি পর্যালোচনার জন্য একটি প্যানেল গঠন করেন। যারা ছবিটি দেখবেন তাদের প্রতি সুবিচার করা উচিত হবে বোর্ডের।

প্রশ্ন: এই শিল্পে আপনার পছন্দ ও অপছন্দ কি সানি?
সানি: আমার ভাল লেগেছে যে, আমাকে দিয়ে ছবি নির্মাতা কাজ করার যে আগ্রহ দেখিয়েছেন। আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতাম তখন এমন কিছু আমার কাছে ছিল অপ্রত্যাশিত। ভারতে আমাকে মেনে নেয়া হয়েছে। এখানে লোকজন আমাকে তাদের ঘরের টিভি স্ক্রিনে দেখতে চান, আমার ছবি দেখতে টিকিট কাটেন। এটা আমার ভাল লাগে। যখন আমি ভারতে আসি থকন এখানকার ইন্ড্রাস্ট্রিতে কিভাবে কাজ করতে হয়, কিভাবে চলে তা আমার জানা ছিল না। এখানে সবাই বেশ আবেগপ্রবণ। এখানে কাজে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব, পারিশ্রমিক ও সময়সূচি যুক্তরাষ্ট্রের থেকে আলাদা।
মিলাপ: উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, যদি আপনি একজন প্রযোজকের বন্ধু হন, তাহলে আপনি তার ছবি পাবেন। এটাই বেশি আবেগপ্রবণ বিষয়।

প্রশ্ন: আপনি কি হিন্দিতে কথা বলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন?
সানি: হ্যাঁ। তবে তা নির্ভর করে আমার সঙ্গে আলোচনায় কারা আছেন তার ওপর। যদি আমি অস্বস্তি বোধ করি তাহলে ইংরেজি বলা শুরু করি। যদি কেউ আমার সঙ্গে সুন্দর করে কথা বলেন তাহলে কোন ইস্যু ছাড়াই আমি হিন্দি বলতে পারি।

প্রশ্ন: এর আগে এক সাক্ষাতকারে আপনি বলেছিলেন, আপনার অতীতের মতো কোন ভাবমূর্তিতে যদি আটকে যান তাহলে সেটা আপনার কাছে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ। কিন্তু এ ছবির ধরনের ভিত্তিতে আপনি কিভাবে সেই ভাবমূর্তি পরিবর্তন করাবেন?
সানি: এটা রাতারাতি হবে না। একজন ‘মাস্তিজাদে’র ট্রেইলার দেখলেই তা হবে না। কিন্তু আমি মনে করি যখন আমার পরবর্তী তিনটি ছবি আসবে তখন সব কিছু পাল্টে যাবে। আগামী বছরগুলোতে এই ভাবমূর্তি পাল্টে যাবে।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর