,

‘আ’লীগ-বিএনপিকে ধন্যবাদ, বাংলাদেশকে ভুলবো না’

news-image

উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) জেনারেল সেক্রেটারি অনুপ চেটিয়া দীর্ঘ ১৮ বছর পরে কারামুক্ত হওয়ার পর টেলিফোনে আমাদের সময় ডটকমের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে বাংলাদেশের জনগনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবি, কারা-কর্তৃপক্ষ এবং জেলের বন্দিরা আমায় এতটাই ভালবাসা দিয়েছেন- কখনও মনেই হয়নি বিদেশের মাটিতে বন্দি আছি।’
দীর্ঘ ১৮ বছর বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি আসামের স্বাধীনতা আন্দোলনের এই নেতাকে গত ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। এর পর ভারতে তার বিরুদ্ধে চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রাখা হয়েছিল কারাগারে। বৃহস্পতিবার তিনি গুয়াহাটির কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পান।

আমাদের সময় ডটকমকে অনুপ চেটিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগন, আওয়ামী লীগ সরকার, বিএনপি সরকার, মানবাধিকার সংগঠন, সিগমা হুদা, এলিনা খান, অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন, জেল কর্তৃপক্ষ ও জেলের বন্দিদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, তারা যেভাবে আমাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে,আতিথিয়তা দিয়েছে তাতে আমার কখনো মনে হয়নি আমি বিদেশের জেলে বন্দি আছি। আমি কখনো তাদের ভূলবো না। আমি সব সময় স্বরণ রাখবো।’

অনুপ চেটিয়া ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশের কারাগারে বন্দী ছিলেন। গত মাসেই তাঁকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অনুপ চেটিয়ার সঙ্গে তাঁর দুই সহযোগী লক্ষ্মী প্রসাদ গোস্বামী ও বাবুল শর্মাকেও হস্তান্তর করা হয়।
১৯৯৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) অন্যতম শীর্ষ নেতা অনুপ চেটিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান এবং অবৈধভাবে বিদেশি মুদ্রা ও একটি স্যাটেলাইট ফোন রাখার অভিযোগে তিনটি মামলা হয়। তিনটি মামলায় চেটিয়াকে যথাক্রমে তিন, চার ও সাত বছরের সশ্রম কারাদ- দেয় বাংলাদেশের আদালত। ওই সব মামলায় সাজা ভোগের পরও বাংলাদেশে বন্দি ছিলেন আসামের এই বিদ্রোহী নেতা।

১৯৬৭ সালে আসামের তিনসুকিয়ার জেরাই গ্রামের গোলাপ বরুয়া ওরফে অনুপের জন্ম। ১৯৭৯ সালে, আসামের শিবসাগরে পরেশ বরুয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, ভীমকান্ত বুড়াগোঁহাইদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি উলফা প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সশস্ত্র তৎপরতা চালায় সংগঠনটি। হত্যা, অপহরণ, ডাকাতির বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত অনুপকে ১৯৯১ সালে প্রথমবার গ্রেফতার করেছিল আসাম পুলিশ। কিন্তু তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী হিতেশ্বর শইকিয়ার হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান। ১৯৯২ সালে শান্তি আলোচনার ডাকে সাড়া দেওয়ার পরেও বাংলাদেশে পালিয়ে আসানে অনুপ চেটিয়া।

এ জাতীয় আরও খবর

আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার জরুরি: রাষ্ট্রপতি

প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ২১ সেপ্টেম্বর

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় ৭ এমপির মধ্যাহ্নভোজ

বিদেশে সম্পদ মিললে ১০ শতাংশ চাইলেন আসিফ

পাথরবোঝাই বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

রামপালে এক ইউনিট বন্ধ, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

গার্মেন্টসে শতভাগ দেশি জনবল সম্ভব: মাহ্দী আমিন

মালয়েশিয়ায় ৩৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৭২ জন আটক

গুলশানের মিছিলে গ্রেপ্তার ৯ জন কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৬১