বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আ’লীগ-বিএনপিকে ধন্যবাদ, বাংলাদেশকে ভুলবো না’

news-image

উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) জেনারেল সেক্রেটারি অনুপ চেটিয়া দীর্ঘ ১৮ বছর পরে কারামুক্ত হওয়ার পর টেলিফোনে আমাদের সময় ডটকমের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে বাংলাদেশের জনগনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবি, কারা-কর্তৃপক্ষ এবং জেলের বন্দিরা আমায় এতটাই ভালবাসা দিয়েছেন- কখনও মনেই হয়নি বিদেশের মাটিতে বন্দি আছি।’
দীর্ঘ ১৮ বছর বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি আসামের স্বাধীনতা আন্দোলনের এই নেতাকে গত ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। এর পর ভারতে তার বিরুদ্ধে চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রাখা হয়েছিল কারাগারে। বৃহস্পতিবার তিনি গুয়াহাটির কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পান।

আমাদের সময় ডটকমকে অনুপ চেটিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগন, আওয়ামী লীগ সরকার, বিএনপি সরকার, মানবাধিকার সংগঠন, সিগমা হুদা, এলিনা খান, অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন, জেল কর্তৃপক্ষ ও জেলের বন্দিদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, তারা যেভাবে আমাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে,আতিথিয়তা দিয়েছে তাতে আমার কখনো মনে হয়নি আমি বিদেশের জেলে বন্দি আছি। আমি কখনো তাদের ভূলবো না। আমি সব সময় স্বরণ রাখবো।’

অনুপ চেটিয়া ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশের কারাগারে বন্দী ছিলেন। গত মাসেই তাঁকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অনুপ চেটিয়ার সঙ্গে তাঁর দুই সহযোগী লক্ষ্মী প্রসাদ গোস্বামী ও বাবুল শর্মাকেও হস্তান্তর করা হয়।
১৯৯৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) অন্যতম শীর্ষ নেতা অনুপ চেটিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান এবং অবৈধভাবে বিদেশি মুদ্রা ও একটি স্যাটেলাইট ফোন রাখার অভিযোগে তিনটি মামলা হয়। তিনটি মামলায় চেটিয়াকে যথাক্রমে তিন, চার ও সাত বছরের সশ্রম কারাদ- দেয় বাংলাদেশের আদালত। ওই সব মামলায় সাজা ভোগের পরও বাংলাদেশে বন্দি ছিলেন আসামের এই বিদ্রোহী নেতা।

১৯৬৭ সালে আসামের তিনসুকিয়ার জেরাই গ্রামের গোলাপ বরুয়া ওরফে অনুপের জন্ম। ১৯৭৯ সালে, আসামের শিবসাগরে পরেশ বরুয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, ভীমকান্ত বুড়াগোঁহাইদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি উলফা প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সশস্ত্র তৎপরতা চালায় সংগঠনটি। হত্যা, অপহরণ, ডাকাতির বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত অনুপকে ১৯৯১ সালে প্রথমবার গ্রেফতার করেছিল আসাম পুলিশ। কিন্তু তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী হিতেশ্বর শইকিয়ার হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান। ১৯৯২ সালে শান্তি আলোচনার ডাকে সাড়া দেওয়ার পরেও বাংলাদেশে পালিয়ে আসানে অনুপ চেটিয়া।

এ জাতীয় আরও খবর

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন